০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আলমডাঙ্গার শালিকা গ্রামে রাতের আঁধারে বোমা বিস্ফোরণ, এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক

 চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার গাংনী ইউনিয়নের শালিকা গ্রামে বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) গভীর রাতে পরপর তিনটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থল থেকে একটি অবিস্ফোরিত বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিএনপি নেতা হাসান মণ্ডলের বাড়ির গেটের সামনে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। রাত ১২টা ৪০ মিনিটে পরপর তিনটি বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। সকাল ৭টার দিকে হাসান বিষয়টি আলমডাঙ্গা থানায় জানান।

বিএনপি নেতা হাসানের ভাষ্য:

হাসান মণ্ডল জানান, “আমি রাত ১১টার দিকে বাড়ি ফিরে ঘুমিয়ে পড়ি। রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। দেখি, আমার বাড়ির গেটের সামনে তিনটি বোমা বিস্ফোরিত হয়েছে এবং আরেকটি বোমা অবিস্ফোরিত অবস্থায় পড়ে আছে। তবে আমি কাউকে দেখিনি বা কারও ওপর সন্দেহ করতে পারছি না। নিরাপত্তার কথা ভেবে বাহিরে যাইনি। পরে সকালে পুলিশকে বিষয়টি জানাই।”

পুলিশের কার্যক্রম:

খবর পেয়ে গাংনী তদন্ত কেন্দ্রের ইনস্পেক্টর বাবর আলীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবিস্ফোরিত বোমাটি উদ্ধার করে। তবে ইনস্পেক্টর বাবর এ বিষয়ে সাংবাদিকদের কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া:

শালিকা গ্রামের দোকানদার তুষার জানান, “রাত সাড়ে ১২টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার কিছুক্ষণ পর বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাই। পাঁচ মিনিট পরপর তিনটি বিকট শব্দে ভয় পেয়ে যাই। নিরাপত্তার কথা ভেবে বাহিরে যাইনি।”

বিস্ফোরণের পর থেকে পুরো গ্রামে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের ধারণা, কেউ হয়তো এলাকাজুড়ে ভয়ভীতি সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে।

 

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট:

গাংনী ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি আয়নাল হোসেন বলেন, “আমাদের দলে কোনো অভ্যন্তরীণ কোন্দল নেই। এলাকার একটি হাট নিয়ে ঝামেলা ছিল, যা ইতোমধ্যে মীমাংসা হয়েছে। যারা এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা উচিত।”

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এই বিষয়ে ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

এ ঘটনায় এলাকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিজানিয়েছেন স্থানীয়রা।

 

আলমডাঙ্গায় ঈদ পরবর্তী মুক্ত আড্ডায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের মিলনমেলা

আলমডাঙ্গার শালিকা গ্রামে রাতের আঁধারে বোমা বিস্ফোরণ, এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক

Update Time : ০৭:২০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪

 চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার গাংনী ইউনিয়নের শালিকা গ্রামে বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) গভীর রাতে পরপর তিনটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থল থেকে একটি অবিস্ফোরিত বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিএনপি নেতা হাসান মণ্ডলের বাড়ির গেটের সামনে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। রাত ১২টা ৪০ মিনিটে পরপর তিনটি বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। সকাল ৭টার দিকে হাসান বিষয়টি আলমডাঙ্গা থানায় জানান।

বিএনপি নেতা হাসানের ভাষ্য:

হাসান মণ্ডল জানান, “আমি রাত ১১টার দিকে বাড়ি ফিরে ঘুমিয়ে পড়ি। রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। দেখি, আমার বাড়ির গেটের সামনে তিনটি বোমা বিস্ফোরিত হয়েছে এবং আরেকটি বোমা অবিস্ফোরিত অবস্থায় পড়ে আছে। তবে আমি কাউকে দেখিনি বা কারও ওপর সন্দেহ করতে পারছি না। নিরাপত্তার কথা ভেবে বাহিরে যাইনি। পরে সকালে পুলিশকে বিষয়টি জানাই।”

পুলিশের কার্যক্রম:

খবর পেয়ে গাংনী তদন্ত কেন্দ্রের ইনস্পেক্টর বাবর আলীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবিস্ফোরিত বোমাটি উদ্ধার করে। তবে ইনস্পেক্টর বাবর এ বিষয়ে সাংবাদিকদের কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া:

শালিকা গ্রামের দোকানদার তুষার জানান, “রাত সাড়ে ১২টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার কিছুক্ষণ পর বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাই। পাঁচ মিনিট পরপর তিনটি বিকট শব্দে ভয় পেয়ে যাই। নিরাপত্তার কথা ভেবে বাহিরে যাইনি।”

বিস্ফোরণের পর থেকে পুরো গ্রামে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের ধারণা, কেউ হয়তো এলাকাজুড়ে ভয়ভীতি সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে।

 

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট:

গাংনী ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি আয়নাল হোসেন বলেন, “আমাদের দলে কোনো অভ্যন্তরীণ কোন্দল নেই। এলাকার একটি হাট নিয়ে ঝামেলা ছিল, যা ইতোমধ্যে মীমাংসা হয়েছে। যারা এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা উচিত।”

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এই বিষয়ে ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

এ ঘটনায় এলাকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিজানিয়েছেন স্থানীয়রা।