০২:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গার বাজারে (১৬-মে) থেকে আসছে পাকা আম

 

চুয়াডাঙ্গায় আগামী ১৬ই মে থেকে পাকা আম সংগ্রহ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসন।  

সোমবার (১৩ মে) দুপুর সাড়ে ৩টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকে জেলা প্রশাসন, কৃষি কর্মকর্তা ও আম বাগান মালিক এবং আম ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক ড. কিচিঞ্জার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ত্রিপাক্ষিক সভায় চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহা, চুয়াডাঙ্গা জেলা আম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রেজাউল করিম মুন্সী, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন ও সহ-সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস মহলদার, জেলা মার্কেটিং অফিসার শহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, আগামী ১৬ই মে থেকে আঁটি, গুটি ও বোম্বাই জাতের, ২৪ মে থেকে হিমসাগর, ৩০ মে ল্যাংড়া, ৭ই জুন আম্রপালি (বারি আম-৩), ১৫ জুন থেকে ফজলি, ১লা জুলাই থেকে আশ্বিনা বারি-৪ জাতের আম সংগ্রহ শুরু হবে।

জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা ও চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহা যৌথভাবে জানান, কোনোভাবেই বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অপরিপক্ব আম পাড়া যাবে না।

এছাড়া আম পাকানো ও সংরক্ষণের জন্য কোনো রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা যাবে না। তাছাড়া অবৈধ প্রক্রিয়ায় আম পাকানো হলে বা পাকানোর উদ্দেশ্যে মজুদ করা হলে ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯’ এবং ‘নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।

চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহা বলেন, জেলাব্যাপী আম সংগ্রহের যে সূচি দেওয়া হয়েছে তার বাইরে কেউ অপরিপক্ব আম পাড়তে পারবে না। কেউ যদি পাড়ার চেষ্টা করেন তবে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ, এবছর চুয়াডাঙ্গা জেলায় দুই হাজার ৩০ হেক্টর জমিতে ৩০ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদন হবে বলে জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের যৌথ বিশেষ মহড়া অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গার বাজারে (১৬-মে) থেকে আসছে পাকা আম

Update Time : ০৬:২৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪

 

চুয়াডাঙ্গায় আগামী ১৬ই মে থেকে পাকা আম সংগ্রহ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসন।  

সোমবার (১৩ মে) দুপুর সাড়ে ৩টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকে জেলা প্রশাসন, কৃষি কর্মকর্তা ও আম বাগান মালিক এবং আম ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক ড. কিচিঞ্জার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ত্রিপাক্ষিক সভায় চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহা, চুয়াডাঙ্গা জেলা আম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রেজাউল করিম মুন্সী, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন ও সহ-সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস মহলদার, জেলা মার্কেটিং অফিসার শহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, আগামী ১৬ই মে থেকে আঁটি, গুটি ও বোম্বাই জাতের, ২৪ মে থেকে হিমসাগর, ৩০ মে ল্যাংড়া, ৭ই জুন আম্রপালি (বারি আম-৩), ১৫ জুন থেকে ফজলি, ১লা জুলাই থেকে আশ্বিনা বারি-৪ জাতের আম সংগ্রহ শুরু হবে।

জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা ও চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহা যৌথভাবে জানান, কোনোভাবেই বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অপরিপক্ব আম পাড়া যাবে না।

এছাড়া আম পাকানো ও সংরক্ষণের জন্য কোনো রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা যাবে না। তাছাড়া অবৈধ প্রক্রিয়ায় আম পাকানো হলে বা পাকানোর উদ্দেশ্যে মজুদ করা হলে ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯’ এবং ‘নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।

চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহা বলেন, জেলাব্যাপী আম সংগ্রহের যে সূচি দেওয়া হয়েছে তার বাইরে কেউ অপরিপক্ব আম পাড়তে পারবে না। কেউ যদি পাড়ার চেষ্টা করেন তবে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ, এবছর চুয়াডাঙ্গা জেলায় দুই হাজার ৩০ হেক্টর জমিতে ৩০ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদন হবে বলে জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।