১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

|| আলমডাঙ্গায় মসজিদের ভেতরে ইমামকে মারধর করার অভিযোগ ||

 

 

আলমডাঙ্গা অফিস :- আলমডাঙ্গা উপজেলার বাড়াদি ইউনিয়নের পোলতাডাঙ্গা গ্রামে ফজরের নামাজ আদায়ের সময় কমানোকে কেন্দ্র করে মসজিদের ইমামকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে, একই গ্রামের দেলোয়ার ও গোলবার দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে,

জানা যায় পোলতাডাঙ্গা গ্রামের গাং পাড়া বাইতুন নূর জামে মসজিদে গতকাল ফজরের নামাজের সালাতের সময় কমানো কে কেন্দ্র করে মসজিদের মুয়াজ্জিন মোঃ ইউনুস আলী বাবুল কে একই গ্রামের ইসহাকের ছেলে দেলোয়ার ও গোলবার ফজরের নামাজরত অবস্থায় মসজিদের ভিতরে অতর্কিত হামলা চালায়,এই হামলায় তিনি গুরুতর জখম হন, | গুরুতর জখম অবস্থায় মুসুল্লিরা উদ্ধার করে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হারদীতে ভর্তি করেন | এদিকে জানা যায় মসজিদের মোয়াজ্জেম মোঃ ইউনুস আলি বাবুল একই মসজিদের পেশ ইমাম এবং মুয়াজ্জিন হিসাবে দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে | মসজিদের ইমাম মোঃ ইউনুস আলী বাবুল জানান দুইদিন আগে মসজিদের মুসুল্লি এবং মসজিদ কমিটি নিয়ে ফজরের নামাজের সময় ৫ মিনিট কমানোর হয়েছে | গতকাল ফজরের নির্ধারিত সময়ে নামাজে দাড়িয়ে যায় নামাজ শেষে সালাম ফেরানোর সময় গোলবার ও তার ভাই দেলোয়ার বলে তুই নামাজের জামাত কেনো ৫ মিনিট আগে করলি, এই বলে দুই ভাই আমাকে খুব মারধর করে | গোলবার ও দেলোয়ারের কাছে জানতে চাইলে বলে আমি মসজিদে এসে দেখি নামাজ শেষ হয়ে গেছে আমি জানতে চাই ৫ মিনিট আগেই কেন জামাত শুরু করা হয়েছে, তিনি আমাকে বলে তুই নামাজ পড়লি পড় না পড়লে মাসজিদ থেকে বের হয়ে যা, এই কথায় তর্ক বিতর্ক শুরু হয় এক পর্যায়ে মোয়াজ্জেম আমার গায়ে হাত তোলে তারপর এই গন্ডগোল টা হয় | স্থানীয় রা বলে তারা আওয়ামিলীগের নেতা তাদের বিরুদ্ধে কিছু বললে আমাদের সমস্যা হবে | ইমাম সাহেব কে মারধর করা ঠিক হয়নি এর একটা সুষ্ঠ বিচার হওয়া দরকার | একজন মুসুল্লি বলেন তারা প্রভাব শালি হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পাই না |তারা আগে মসজিদের দায়িত্বে ছিলেন এখন দায়িত্বে নেই এই জন্য এমন টা হতে পারে | আলমডাঙ্গা উপজেলার স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন আমাদের কাছে মসজিদের মারামারিকে কেন্দ্র করে একজন ভর্তি ছিলো তার মাজার কাছে মারধরের জখম ছিলো তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে বাড়ি পাঠানো হয়েছে | এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানা একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন

চুয়াডাঙ্গার মোমিনপুরে কুখ্যাত যুবলীগ সন্ত্রাসী ‘ব্যাকা আকাশ’ গণপিটুনির পর পুলিশের হাতে সোপর্দ

|| আলমডাঙ্গায় মসজিদের ভেতরে ইমামকে মারধর করার অভিযোগ ||

Update Time : ০১:৫৮:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুন ২০২৪

 

 

আলমডাঙ্গা অফিস :- আলমডাঙ্গা উপজেলার বাড়াদি ইউনিয়নের পোলতাডাঙ্গা গ্রামে ফজরের নামাজ আদায়ের সময় কমানোকে কেন্দ্র করে মসজিদের ইমামকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে, একই গ্রামের দেলোয়ার ও গোলবার দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে,

জানা যায় পোলতাডাঙ্গা গ্রামের গাং পাড়া বাইতুন নূর জামে মসজিদে গতকাল ফজরের নামাজের সালাতের সময় কমানো কে কেন্দ্র করে মসজিদের মুয়াজ্জিন মোঃ ইউনুস আলী বাবুল কে একই গ্রামের ইসহাকের ছেলে দেলোয়ার ও গোলবার ফজরের নামাজরত অবস্থায় মসজিদের ভিতরে অতর্কিত হামলা চালায়,এই হামলায় তিনি গুরুতর জখম হন, | গুরুতর জখম অবস্থায় মুসুল্লিরা উদ্ধার করে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হারদীতে ভর্তি করেন | এদিকে জানা যায় মসজিদের মোয়াজ্জেম মোঃ ইউনুস আলি বাবুল একই মসজিদের পেশ ইমাম এবং মুয়াজ্জিন হিসাবে দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে | মসজিদের ইমাম মোঃ ইউনুস আলী বাবুল জানান দুইদিন আগে মসজিদের মুসুল্লি এবং মসজিদ কমিটি নিয়ে ফজরের নামাজের সময় ৫ মিনিট কমানোর হয়েছে | গতকাল ফজরের নির্ধারিত সময়ে নামাজে দাড়িয়ে যায় নামাজ শেষে সালাম ফেরানোর সময় গোলবার ও তার ভাই দেলোয়ার বলে তুই নামাজের জামাত কেনো ৫ মিনিট আগে করলি, এই বলে দুই ভাই আমাকে খুব মারধর করে | গোলবার ও দেলোয়ারের কাছে জানতে চাইলে বলে আমি মসজিদে এসে দেখি নামাজ শেষ হয়ে গেছে আমি জানতে চাই ৫ মিনিট আগেই কেন জামাত শুরু করা হয়েছে, তিনি আমাকে বলে তুই নামাজ পড়লি পড় না পড়লে মাসজিদ থেকে বের হয়ে যা, এই কথায় তর্ক বিতর্ক শুরু হয় এক পর্যায়ে মোয়াজ্জেম আমার গায়ে হাত তোলে তারপর এই গন্ডগোল টা হয় | স্থানীয় রা বলে তারা আওয়ামিলীগের নেতা তাদের বিরুদ্ধে কিছু বললে আমাদের সমস্যা হবে | ইমাম সাহেব কে মারধর করা ঠিক হয়নি এর একটা সুষ্ঠ বিচার হওয়া দরকার | একজন মুসুল্লি বলেন তারা প্রভাব শালি হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পাই না |তারা আগে মসজিদের দায়িত্বে ছিলেন এখন দায়িত্বে নেই এই জন্য এমন টা হতে পারে | আলমডাঙ্গা উপজেলার স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন আমাদের কাছে মসজিদের মারামারিকে কেন্দ্র করে একজন ভর্তি ছিলো তার মাজার কাছে মারধরের জখম ছিলো তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে বাড়ি পাঠানো হয়েছে | এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানা একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন