০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

  • Update Time : ০১:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 94

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় নিজ বাড়ি থেকে সুজন আলী (৩৮) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে উপজেলার কালিদাসপুর ইউনিয়নের আসাননগর গ্রামে এ ঘটনা জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আসাননগর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মহব্বত আলীর ছেলে সুজন আলী পেশায় একজন রংমিস্ত্রি ছিলেন। তিনি তিন সন্তানের জনক। পারিবারিক কলহের জেরে নির্বাচনের আগে তার স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর থেকে সুজন বাড়িতে একাই বসবাস করতেন।

সোমবার সকালে বড় ছেলে লিমন তার বাবার খোঁজ নিতে বাড়িতে আসে। বাড়ির প্রধান ফটক ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। সে প্রাচীর টপকে ভেতরে প্রবেশ করে। ঘরের দরজা খোলা অবস্থায় পিতাকে ডাকতে ডাকতে ভেতরে গিয়ে দেখতে পায় ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় তার বাবা ঝুলছেন। এ সময় তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা। মরদেহ কিছুটা গলিত অবস্থায় ছিল, ধারণা করা হচ্ছে কয়েকদিন আগেই তিনি গলায় ফাঁস দিয়েছেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

Tag :
জনপ্রিয়

মনিরুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিডিও ছড়িয়ে অপপ্রচার শনাক্ত: বাংলাফ্যাক্ট

চুয়াডাঙ্গায় এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

Update Time : ০১:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় নিজ বাড়ি থেকে সুজন আলী (৩৮) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে উপজেলার কালিদাসপুর ইউনিয়নের আসাননগর গ্রামে এ ঘটনা জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আসাননগর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মহব্বত আলীর ছেলে সুজন আলী পেশায় একজন রংমিস্ত্রি ছিলেন। তিনি তিন সন্তানের জনক। পারিবারিক কলহের জেরে নির্বাচনের আগে তার স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর থেকে সুজন বাড়িতে একাই বসবাস করতেন।

সোমবার সকালে বড় ছেলে লিমন তার বাবার খোঁজ নিতে বাড়িতে আসে। বাড়ির প্রধান ফটক ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। সে প্রাচীর টপকে ভেতরে প্রবেশ করে। ঘরের দরজা খোলা অবস্থায় পিতাকে ডাকতে ডাকতে ভেতরে গিয়ে দেখতে পায় ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় তার বাবা ঝুলছেন। এ সময় তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা। মরদেহ কিছুটা গলিত অবস্থায় ছিল, ধারণা করা হচ্ছে কয়েকদিন আগেই তিনি গলায় ফাঁস দিয়েছেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”