০২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আলমডাঙ্গার কৃতি সন্তান শিক্ষক ও কবি জামিরুল ইসলাম খান জামিল বই,খাতা ও কলম দিয়ে ছোট্ট শিশু কন্যার মুখে হাসি ফুটিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন

  • Update Time : ০৮:৪৮:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১
  • ৫৩ Time View

 

 

আলমডাঙ্গা অফিসঃ চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গার কৃতি সন্তান শিক্ষক ও কবি জামিরুল ইসলাম খান জামিল বই,খাতা ও কলম দিয়ে ছোট্ট শিশু কন্যার মুখে হাসি ফুটিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।তিনি আলমডাঙ্গা উপজেলার বাদেমাজু গ্রামের মরহুম জালাল উদ্দীন খান ও মরহুমা হালিমা খানমের সেজো ছেলে। তিনি বৈদ্যনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। আলমডাঙ্গার উপজেলা গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের সভাপতি ও কবি। ২০ এপ্রিল মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে বই,খাতা ও কলম হাতে তুলে দেন। তিনি একজন সমাজ সেবক, বৃক্ষ প্রেমিক ও বটে।এছাড়া ও তিনি করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে সচেতনতায় গত ২রা ফেব্রুয়ারিতে তার জন্মদিনে কেক ন কেটে জনগণের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেছিলেন।তার এ ধারা অব্যাহত রাখতে সকলের নিকট দোয়া,আর্শীবাদ ও ভালবাসা কামনা করেছেন।লিটন বলেন আমি আলমডাঙ্গা পৌরসভাধীন সোহাগ মোড় এলাকার চা বিক্রয় করি।আমার নাম মোঃ লিটন আলী ২ কন্যার জনক। বড় মেয়ে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আগে ভ্যান চালাতাম এখন চায়ের দোকান দিয়েছি। সংসারে অনটন লেগেই আছে।এমতাবস্থায় শিক্ষক ও কবি জামিরুল ভায়ের সাথে আমার চা দোকানে গত পরশু রাতে কথপকথনে ছোট মেয়ের পড়ালেখার জন্য খোঁজ খবর নিয়ে (আজ)মেয়ের জন্য বই,খাতা ও কলম এনে হাতে তুলে দিয়েছেন।এতে আমি ও আমার মেয়ে খুব খুশি। শেষে সুমিকে বই খুলে অ আ ই ঈ হাতে ধরে পড়ালেন।আল্লাহ ওনাকে ভালো রাখবেন ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।মোঃ জামিরুল ইসলাম – এর ফেসবুকে আপলোড হুবহু তুলে ধরলাম।আলহামদুলিল্লাহ,আমার দেয়া সামান্য প্রয়াস…নতুন বই,খাতা ও কলম পেয়ে বড্ড খুশি,খাদেজা খাতুন সুমি,বয়স প্রায় ৪বছর,পিতা মোঃ লিটন মিয়া, সোহাগমোড়,আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা। সকলে দোয়া করবেন.।

Tag :
জনপ্রিয়

নীলমনিগনজ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এস এস সি ৯৭ ব্যাচের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

আলমডাঙ্গার কৃতি সন্তান শিক্ষক ও কবি জামিরুল ইসলাম খান জামিল বই,খাতা ও কলম দিয়ে ছোট্ট শিশু কন্যার মুখে হাসি ফুটিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন

Update Time : ০৮:৪৮:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১

 

 

আলমডাঙ্গা অফিসঃ চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গার কৃতি সন্তান শিক্ষক ও কবি জামিরুল ইসলাম খান জামিল বই,খাতা ও কলম দিয়ে ছোট্ট শিশু কন্যার মুখে হাসি ফুটিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।তিনি আলমডাঙ্গা উপজেলার বাদেমাজু গ্রামের মরহুম জালাল উদ্দীন খান ও মরহুমা হালিমা খানমের সেজো ছেলে। তিনি বৈদ্যনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। আলমডাঙ্গার উপজেলা গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের সভাপতি ও কবি। ২০ এপ্রিল মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে বই,খাতা ও কলম হাতে তুলে দেন। তিনি একজন সমাজ সেবক, বৃক্ষ প্রেমিক ও বটে।এছাড়া ও তিনি করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে সচেতনতায় গত ২রা ফেব্রুয়ারিতে তার জন্মদিনে কেক ন কেটে জনগণের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেছিলেন।তার এ ধারা অব্যাহত রাখতে সকলের নিকট দোয়া,আর্শীবাদ ও ভালবাসা কামনা করেছেন।লিটন বলেন আমি আলমডাঙ্গা পৌরসভাধীন সোহাগ মোড় এলাকার চা বিক্রয় করি।আমার নাম মোঃ লিটন আলী ২ কন্যার জনক। বড় মেয়ে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আগে ভ্যান চালাতাম এখন চায়ের দোকান দিয়েছি। সংসারে অনটন লেগেই আছে।এমতাবস্থায় শিক্ষক ও কবি জামিরুল ভায়ের সাথে আমার চা দোকানে গত পরশু রাতে কথপকথনে ছোট মেয়ের পড়ালেখার জন্য খোঁজ খবর নিয়ে (আজ)মেয়ের জন্য বই,খাতা ও কলম এনে হাতে তুলে দিয়েছেন।এতে আমি ও আমার মেয়ে খুব খুশি। শেষে সুমিকে বই খুলে অ আ ই ঈ হাতে ধরে পড়ালেন।আল্লাহ ওনাকে ভালো রাখবেন ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।মোঃ জামিরুল ইসলাম – এর ফেসবুকে আপলোড হুবহু তুলে ধরলাম।আলহামদুলিল্লাহ,আমার দেয়া সামান্য প্রয়াস…নতুন বই,খাতা ও কলম পেয়ে বড্ড খুশি,খাদেজা খাতুন সুমি,বয়স প্রায় ৪বছর,পিতা মোঃ লিটন মিয়া, সোহাগমোড়,আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা। সকলে দোয়া করবেন.।