১১:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অটোয়ায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন

  • Update Time : ০৩:০৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 44

কানাডার অটোয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে গতকাল (শনিবার) শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।

কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. জসীম উদ্দিন বাংলাদেশ হাউজে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু করেন।

এরপর হাইকমিশনার ও অন্যান্য সদস্যদের অংশগ্রহণে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

হাইকমিশনের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় দূতাবাসের কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং কানাডাস্থ বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন হাইকমিশনার জসীম উদ্দিন।

তিনি তার বক্তব্যে ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদ এবং ৭১-এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

জসীম উদ্দিন বলেন, রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার অধিকার রক্ষা কেবল সাংস্কৃতিক দাবি ছিল না, বরং এটি ছিল রাজনৈতিক জাগরণের সূচনা; যা শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করেছে। ইউনেস্কো কর্তৃক এই দিনের স্বীকৃতি প্রমাণ করে যে ভাষার অধিকার একটি মৌলিক মানবাধিকার।

হাইকমিশনার আরও বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা জাতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। তারা বিদেশের মাটিতে দেশীয় ঐতিহ্য লালন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সঙ্গে শেকড়ের সেতুবন্ধন তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের কথা উল্লেখ করে হাইকমিশনার গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন, সুশাসন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন, যেখানে সকল ভাষা ও সংস্কৃতির সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।

Tag :
জনপ্রিয়

মনিরুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিডিও ছড়িয়ে অপপ্রচার শনাক্ত: বাংলাফ্যাক্ট

অটোয়ায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন

Update Time : ০৩:০৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কানাডার অটোয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে গতকাল (শনিবার) শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।

কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. জসীম উদ্দিন বাংলাদেশ হাউজে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু করেন।

এরপর হাইকমিশনার ও অন্যান্য সদস্যদের অংশগ্রহণে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

হাইকমিশনের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় দূতাবাসের কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং কানাডাস্থ বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন হাইকমিশনার জসীম উদ্দিন।

তিনি তার বক্তব্যে ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদ এবং ৭১-এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

জসীম উদ্দিন বলেন, রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার অধিকার রক্ষা কেবল সাংস্কৃতিক দাবি ছিল না, বরং এটি ছিল রাজনৈতিক জাগরণের সূচনা; যা শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করেছে। ইউনেস্কো কর্তৃক এই দিনের স্বীকৃতি প্রমাণ করে যে ভাষার অধিকার একটি মৌলিক মানবাধিকার।

হাইকমিশনার আরও বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা জাতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। তারা বিদেশের মাটিতে দেশীয় ঐতিহ্য লালন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সঙ্গে শেকড়ের সেতুবন্ধন তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের কথা উল্লেখ করে হাইকমিশনার গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন, সুশাসন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন, যেখানে সকল ভাষা ও সংস্কৃতির সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।