বুধবার বিকেল কোরবানির হাটে ৯৬ হাজার টাকায় গরু বিক্রি করেন কৃষক সানোয়ার। হাটের পাশেই একটি হোটেলের সামনে টাকা লেনদেন করা হয়। প্রথমে টাকা গুনে সানোয়ার হোসেনের হাতে দেন ক্রেতা। পরক্ষণে ভালোভাবে গুনে দেওয়ার কথা বলে টাকার বান্ডিল নিয়ে নেন ক্রেতা। টাকা গোনার অভিনয়ের এক ফাঁকে নতুন আরেকটি বান্ডিল বিক্রেতার পকেটে ঢুকিয়ে দিয়ে বলেন, ‘ঠিক আছে’। পরে বাড়ি ফিরে টাকা গুনতে গিয়ে চোখ ছানাবড়া হয় তার! ওপরে একটা মাত্র এক হাজার টাকার নোট। ভেতরে টাকার সাইজ করে কাটা সাদা কাগজের বান্ডিল।
ঘটনাটি ঘটেছে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা পশুর হাটে। ভুক্তভোগী কৃষক সানোয়ার হোসেন আলমডাঙ্গার পাইকপাড়ার গ্রামের কালু মণ্ডলের ছেলে।
কৃষক সানোয়ার হোসেন জানান, অনেক কষ্টে পালিত গরুটি আলমডাঙ্গা পৌর পশুর হাটে বিক্রির জন্য নিয়ে যান তিনি। একপর্যায়ে চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলের এক ক্রেতা গরুটি কেনার আগ্রহ দেখিয়ে দরদাম শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত ৯৬ হাজার টাকায় দরদাম স্থির হয়। পশুর পাশেই একটি হোটেলের সামনে টাকা লেনদেন করা হয়। ক্রেতা প্রথমে টাকা গুনে সানোয়ার হোসেনের হাতে দেন। পরক্ষণে ভালোভাবে গুনে দেওয়ার কথা বলে ক্রেতা আবার টাকার বান্ডিল নিয়ে নেন। টাকা গোনার অভিনয়ের এক ফাঁকে নতুন আরেকটি বান্ডিল বিক্রেতার পকেটে ঢুকিয়ে দিয়ে বলেন, ‘ঠিক আছে’।
কৃষক সানোয়ার টাকা নিজে গুনে নেননি। ওইভাবেই বাড়ি ফেরেন। বাড়ি ফিরে টাকা গুনতে গিয়ে চোখ ছানাবড়া হয় তার! ওপরে একটা মাত্র এক হাজার টাকার নোট। ভেতরে টাকার সাইজ করে কাটা সাদা কাগজের বান্ডিল।
উপজেলার কালিদাসপুর ইউপির চেয়ারম্যান শেখ আশাদুল হক মিকা বলেন, গরু বিক্রেতা সানোয়ার ঘটনাটি আমাকে বলেছেন। ঘটনাটি মেনে নেয়ার মতো নয়। ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার রয়েছে। এ বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।
আলমডাঙ্গা থানার ওসি বিপ্লব কুমার নাথ বলেন, এ বিষয়ে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় এখনো থানায় কেউ অভিযোগ করেননি।





















