বগুড়ার ধুনট উপজেলায় যমুনা নদীতে নৌকা ডুবে ভাটির দিকে ভেসে যাওয়া মাঝি মাল্লাসহ ২১ যাত্রীকে উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। এতে প্রাণে বেঁচে গেছেন নৌকায় থাকা সবাই। তবে নৌকাসহ মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের শহড়াবাড়ি নৌঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে নদীতে ভাসমান অবস্থায় সব যাত্রীকে উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় উদ্ধারকারী দলের নেতৃত্ব দেওয়া মেহেদী হাসান বলেন, শনিবার সকালের দিকে আওলাকান্দি গ্রামের হাফিজার রহমানের শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নৌকায় শহড়াবাড়ি নৌঘাট থেকে যমুনা নদীর পূর্ব তীরে বৈশাখী চরে কৃষিকাজের জন্য যান ২১ যাত্রী। তারা কাজ শেষ করে দুপুরের দিকে বৈশাখী চর থেকে একই নৌকায় যমুনা নদীর পশ্চিম তীরে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। নদীর মাঝপথে পৌঁছলে প্রবল স্রোতে ঢেউ লেগে যাত্রী ও মালামালবোঝাই নৌকাটি ডুবে যায়। নদীর পশ্চিম তীরে বানিয়াজান বাঁধ থেকে এ দৃশ্য দেখে অন্য একটি বড় নৌকা নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়।
ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন বাবু বলেন, কয়েকদিন ধরে যমুনা নদীর পানি বাড়ছে। ফলে পানির প্রবল স্রোত ও বাতাসে কারণে ঢেউয়ের ধাক্কায় নৌকাটি ডুবে যায়। স্থানীয়রা নৌকার সব যাত্রীকে উদ্ধার করেছেন।
ধুনট থানার ওসি রবিউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সংবাদ পেয়ে খোঁজ-খবর নিয়েছি। তবে যমুনা নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।





















