দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ফল ব্যবসায়ী বাবর আলী (৪৫) হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন তার স্ত্রী মহিমা খাতুন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হাসুয়া উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার (১১ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদার (সার্কেল) সহকারী পুলিশ সুপার জাকিয়া সুলতানা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানান। এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ জুন) দিবাগত রাত ১টার দিকে তাকে হত্যা করা হয়।
নিহত বাবর আলী দামুড়হুদা উপজেলা কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের ধান্যঘরা গ্রামের ছাত্তার আলীর ছেলে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাবর আলীর ভাই মো: সাবের আলীর অভিযোগে ১০ জুন দর্শনা থানায় মামলা রুজু করা হয়। মামলা রুজুর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান পরিচালনা করে পারিপার্শ্বিকতা ও স্বাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে নিহতের স্ত্রী মহিমাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জিজ্ঞাবাদের এক পর্যায়ে তিনি নিজেই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে মর্মে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেন। তার দেয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বসত বাড়ির খাটের নিচ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হাসুয়াটি উদ্ধার করা হয়।
মহিমার বরাত দিয়ে সহকারী পুলিশ সুপার জানান, নিহত বাবর আলী ও মহিমা সম্পের্কে স্বামী-স্ত্রী। ঘটনার রাতে পারিবারিক কলহের জেরে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এর এক পর্যায়ে বাবর আলীর থেকে ধারালো হাসুয়া কেড়ে নিয়ে তার গলায় কোপ দেন মহিমা। পরে চিকিৎসার জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসাপাতালে নিয়ে গেলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে বাবর আলী মৃত্যু হয়।
গ্রেফতারের আগে মহিমা জানিয়ে ছিলেন, দুর্বৃত্তরা বাড়িতে প্রবেশ করে তার গলায় কোপ দিয়েছে। এর আগে ওই দিন সন্ধ্যায় লিচু বিক্রির চার লাখ টাকা দেনা-সংক্রান্ত বিষয়ে তিন ব্যক্তি বাড়িতে এসে হুমকি দেয় বাবর আলীকে। তারাই এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকতে পারে।





















