০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন রাজধানী

  • Update Time : ০২:০৮:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • 35

আষাঢ়ের শেষ ভাগে প্রকৃতি যেন ফিরে পেয়েছে তার চিরচেনা বর্ষার রূপ। সক্রিয় মৌসুমি বায়ু ও নিম্নচাপের প্রভাবে গত মঙ্গলবার থেকে রাজধানী ঢাকায় প্রায় প্রতিদিনই থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে।

মঙ্গলবার দিনের অধিকাংশ সময় বৃষ্টিপাতের পর বুধবার ও বৃহস্পতিবারও বিভিন্ন সময়ে অব্যাহত থাকে বর্ষণ। শুক্রবার ভোর থেকে শুরু হয় মুষলধারে বৃষ্টি, যা দিনের বেশির ভাগ সময় স্থায়ী হয়। শনিবারও সকাল থেকে টানা বর্ষণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

সেই ধারাবাহিকতায় রোববার ভোর থেকেই আবারও শুরু হয় ভারি বর্ষণ। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে আগের জমে থাকা পানি পুরোপুরি নিষ্কাশন হওয়ার আগেই নতুন করে বৃষ্টিপাত হওয়ায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা আরও ভয়াবহ রূপ নেয়।

রোববার (১২ জুলাই) সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস হওয়ায় সকাল থেকেই চরম ভোগান্তিতে পড়েন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী, রিকশাচালক ও দিনমজুরসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। প্রবল বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতা উপেক্ষা করেই অনেককে কর্মস্থল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নিজ নিজ গন্তব্যে যেতে দেখা যায়।

কেউ ছাতা, কেউ রেইনকোট, আবার কেউ পলিথিনে নিজেকে ঢেকে চলাচল করেন। অনেককে হাঁটুসমান পানি মাড়িয়ে সড়ক পার হতে হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় যানবাহনের ধীরগতি এবং দীর্ঘ যানজটের কারণে স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে।

রোববার সকালের টানা বর্ষণে রাজধানীর হাজারীবাগ, ধানমন্ডি, জিগাতলা, গ্রিন রোড, তেজতুরী বাজার, পান্থপথ, ধানমন্ডি ২৭ ও ৩২ নম্বর, কলাবাগান, নিউমার্কেট, নীলক্ষেত, আজিমপুর, লালবাগ, চকবাজার, বংশাল, সূত্রাপুর, ওয়ারী, গেন্ডারিয়া, কামরাঙ্গীরচর, যাত্রাবাড়ী, আদাবর, শ্যামলী, শেরেবাংলা নগর, আগারগাঁও, মোহাম্মদপুর, তেজগাঁও, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, বাংলামোটর, রাজাবাজার, শুক্রাবাদ, মগবাজার, মালিবাগ, মৌচাক, শান্তিনগর, রামপুরা, বাড্ডা, আফতাবনগর, খিলগাঁও, বাসাবো, সবুজবাগ, কাকরাইল, পল্টন, মতিঝিল, গুলিস্তান, নয়াপল্টন, সায়েদাবাদ, সদরঘাট এবং পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় প্রধান সড়ক, সংযোগ সড়ক ও অলিগলিতে হাঁটুসমান পানি জমে যায়। কোথাও কোথাও পানির উচ্চতা আরও বেড়ে যাওয়ায় যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করে এবং তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। জলাবদ্ধতার কারণে রিকশা, মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচলও ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়।

আজিমপুরের বাসিন্দা ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী সুমাইয়া রাইসা বলেন, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে এলাকার অধিকাংশ সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। আজও হাঁটুসমান পানি মাড়িয়ে বাসা থেকে বের হতে হয়েছে। রিকশা পাওয়া যাচ্ছিল না, আর যেগুলো পাওয়া গেছে সেগুলো অতিরিক্ত ভাড়া চেয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। আমাদের এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা অনেক দুর্বল। প্লাস্টিক ও বিভিন্ন বর্জ্যে ড্রেনের বড় অংশ বন্ধ হয়ে থাকায় পানি দ্রুত নামতে পারছে না।

নিউমার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী মামুন ইসলাম বলেন, সকালে দোকান খুলতে এসে দেখি দোকানের সামনের পুরো সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। ক্রেতার উপস্থিতি ছিল খুবই কম। টানা বৃষ্টির কারণে ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছি।

ধানমন্ডির জিগাতলা এলাকার বাসিন্দা নুর জামাল বলেন, সকালে অফিসে যাওয়ার জন্য বের হয়ে দেখি জিগাতলা কাঁচাবাজার থেকে ধানমন্ডি পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে আছে। তার ওপর ভয়াবহ যানজট। স্বাভাবিক সময়ে ২০ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে আজ প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লেগেছে।

পান্থপথের বাসিন্দা মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, রাস্তায় পানি জমে থাকায় যানবাহন খুব ধীরগতিতে চলছিল। অনেক জায়গায় ড্রেনের ঢাকনা পানির নিচে থাকায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে চলাচল করতে হয়েছে।

হাজারীবাগের ভাগলপুর লেন এলাকার বাসিন্দা গোলাম রহমান বলেন, ভাগলপুর লেন, হাজারীবাগ পার্ক, বউবাজার, হাজারীবাগ কাঁচাবাজারসহ আশপাশের এলাকায় কোথাও হাঁটুর নিচে, আবার কোথাও হাঁটুর ওপরে পানি জমেছে। বাসা থেকে বের হওয়ার পরই পানির মধ্যে দিয়ে হেঁটে যেতে হয়েছে। ছোট ছোট গলিগুলো পুরোপুরি ডুবে ছিল। শিশুদের স্কুলে পাঠাতেও অনেক কষ্ট হয়েছে।

কলাবাগান এলাকার বাসিন্দা রাতুল বলেন, প্রতি বছর বর্ষা এলেই একই চিত্র দেখা যায়। একটু ভারি বৃষ্টি হলেই রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে যায়। জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান না হলে এই দুর্ভোগ থেকে নগরবাসীর মুক্তি মিলবে না।

গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে রাজধানীর নিচু এলাকার পানি পুরোপুরি নিষ্কাশন না হওয়ায় নতুন করে বৃষ্টির পানি জমে জনভোগান্তি আরও বেড়েছে। অনেক এলাকায় দোকানপাট খুলতে দেরি হয়েছে। অলিগলি ও আবাসিক এলাকার সড়কে পানি জমে থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারাও চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, দিনমজুর এবং খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ।

এদিকে রাজধানীর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানেও টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। উত্তরের নদ-নদীর পানি বাড়ছে। কয়েকটি জেলায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় মোট ৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। রোববার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার পূর্বাভাসে সংস্থাটি জানিয়েছে, রাজধানীতে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। একই সঙ্গে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। ফলে আগামী কয়েক দিনও রাজধানীবাসীকে বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ বহন করতে হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Tag :
জনপ্রিয়

টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন রাজধানী

Update Time : ০২:০৮:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

আষাঢ়ের শেষ ভাগে প্রকৃতি যেন ফিরে পেয়েছে তার চিরচেনা বর্ষার রূপ। সক্রিয় মৌসুমি বায়ু ও নিম্নচাপের প্রভাবে গত মঙ্গলবার থেকে রাজধানী ঢাকায় প্রায় প্রতিদিনই থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে।

মঙ্গলবার দিনের অধিকাংশ সময় বৃষ্টিপাতের পর বুধবার ও বৃহস্পতিবারও বিভিন্ন সময়ে অব্যাহত থাকে বর্ষণ। শুক্রবার ভোর থেকে শুরু হয় মুষলধারে বৃষ্টি, যা দিনের বেশির ভাগ সময় স্থায়ী হয়। শনিবারও সকাল থেকে টানা বর্ষণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

সেই ধারাবাহিকতায় রোববার ভোর থেকেই আবারও শুরু হয় ভারি বর্ষণ। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে আগের জমে থাকা পানি পুরোপুরি নিষ্কাশন হওয়ার আগেই নতুন করে বৃষ্টিপাত হওয়ায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা আরও ভয়াবহ রূপ নেয়।

রোববার (১২ জুলাই) সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস হওয়ায় সকাল থেকেই চরম ভোগান্তিতে পড়েন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী, রিকশাচালক ও দিনমজুরসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। প্রবল বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতা উপেক্ষা করেই অনেককে কর্মস্থল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নিজ নিজ গন্তব্যে যেতে দেখা যায়।

কেউ ছাতা, কেউ রেইনকোট, আবার কেউ পলিথিনে নিজেকে ঢেকে চলাচল করেন। অনেককে হাঁটুসমান পানি মাড়িয়ে সড়ক পার হতে হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় যানবাহনের ধীরগতি এবং দীর্ঘ যানজটের কারণে স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে।

রোববার সকালের টানা বর্ষণে রাজধানীর হাজারীবাগ, ধানমন্ডি, জিগাতলা, গ্রিন রোড, তেজতুরী বাজার, পান্থপথ, ধানমন্ডি ২৭ ও ৩২ নম্বর, কলাবাগান, নিউমার্কেট, নীলক্ষেত, আজিমপুর, লালবাগ, চকবাজার, বংশাল, সূত্রাপুর, ওয়ারী, গেন্ডারিয়া, কামরাঙ্গীরচর, যাত্রাবাড়ী, আদাবর, শ্যামলী, শেরেবাংলা নগর, আগারগাঁও, মোহাম্মদপুর, তেজগাঁও, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, বাংলামোটর, রাজাবাজার, শুক্রাবাদ, মগবাজার, মালিবাগ, মৌচাক, শান্তিনগর, রামপুরা, বাড্ডা, আফতাবনগর, খিলগাঁও, বাসাবো, সবুজবাগ, কাকরাইল, পল্টন, মতিঝিল, গুলিস্তান, নয়াপল্টন, সায়েদাবাদ, সদরঘাট এবং পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় প্রধান সড়ক, সংযোগ সড়ক ও অলিগলিতে হাঁটুসমান পানি জমে যায়। কোথাও কোথাও পানির উচ্চতা আরও বেড়ে যাওয়ায় যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করে এবং তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। জলাবদ্ধতার কারণে রিকশা, মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচলও ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়।

আজিমপুরের বাসিন্দা ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী সুমাইয়া রাইসা বলেন, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে এলাকার অধিকাংশ সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। আজও হাঁটুসমান পানি মাড়িয়ে বাসা থেকে বের হতে হয়েছে। রিকশা পাওয়া যাচ্ছিল না, আর যেগুলো পাওয়া গেছে সেগুলো অতিরিক্ত ভাড়া চেয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। আমাদের এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা অনেক দুর্বল। প্লাস্টিক ও বিভিন্ন বর্জ্যে ড্রেনের বড় অংশ বন্ধ হয়ে থাকায় পানি দ্রুত নামতে পারছে না।

নিউমার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী মামুন ইসলাম বলেন, সকালে দোকান খুলতে এসে দেখি দোকানের সামনের পুরো সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। ক্রেতার উপস্থিতি ছিল খুবই কম। টানা বৃষ্টির কারণে ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছি।

ধানমন্ডির জিগাতলা এলাকার বাসিন্দা নুর জামাল বলেন, সকালে অফিসে যাওয়ার জন্য বের হয়ে দেখি জিগাতলা কাঁচাবাজার থেকে ধানমন্ডি পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে আছে। তার ওপর ভয়াবহ যানজট। স্বাভাবিক সময়ে ২০ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে আজ প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লেগেছে।

পান্থপথের বাসিন্দা মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, রাস্তায় পানি জমে থাকায় যানবাহন খুব ধীরগতিতে চলছিল। অনেক জায়গায় ড্রেনের ঢাকনা পানির নিচে থাকায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে চলাচল করতে হয়েছে।

হাজারীবাগের ভাগলপুর লেন এলাকার বাসিন্দা গোলাম রহমান বলেন, ভাগলপুর লেন, হাজারীবাগ পার্ক, বউবাজার, হাজারীবাগ কাঁচাবাজারসহ আশপাশের এলাকায় কোথাও হাঁটুর নিচে, আবার কোথাও হাঁটুর ওপরে পানি জমেছে। বাসা থেকে বের হওয়ার পরই পানির মধ্যে দিয়ে হেঁটে যেতে হয়েছে। ছোট ছোট গলিগুলো পুরোপুরি ডুবে ছিল। শিশুদের স্কুলে পাঠাতেও অনেক কষ্ট হয়েছে।

কলাবাগান এলাকার বাসিন্দা রাতুল বলেন, প্রতি বছর বর্ষা এলেই একই চিত্র দেখা যায়। একটু ভারি বৃষ্টি হলেই রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে যায়। জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান না হলে এই দুর্ভোগ থেকে নগরবাসীর মুক্তি মিলবে না।

গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে রাজধানীর নিচু এলাকার পানি পুরোপুরি নিষ্কাশন না হওয়ায় নতুন করে বৃষ্টির পানি জমে জনভোগান্তি আরও বেড়েছে। অনেক এলাকায় দোকানপাট খুলতে দেরি হয়েছে। অলিগলি ও আবাসিক এলাকার সড়কে পানি জমে থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারাও চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, দিনমজুর এবং খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ।

এদিকে রাজধানীর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানেও টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। উত্তরের নদ-নদীর পানি বাড়ছে। কয়েকটি জেলায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় মোট ৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। রোববার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার পূর্বাভাসে সংস্থাটি জানিয়েছে, রাজধানীতে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। একই সঙ্গে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। ফলে আগামী কয়েক দিনও রাজধানীবাসীকে বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ বহন করতে হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।