০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপ জয়ের উৎসবে ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ইয়ামালের উচ্ছ্বাস

  • Update Time : ১১:২৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • 28

স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে যখন পুরো দল শিরোপা উদযাপনে ব্যস্ত, তখন মাঠের বাইরের একটি দৃশ্য কেড়ে নিয়েছে সমর্থকদের নজর। তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালের সঙ্গে তার ছোট ভাই কিয়েনের আবেগঘন মুহূর্তগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। মাত্র তিন বছর বয়সি কিয়েনের হাসি, উচ্ছ্বাস এবং সরল অভিব্যক্তি বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করেছে।

ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মাঠেই আনন্দ ভাগাভাগি করেন ১৯ বছর বয়সি তারকা ইয়ামাল। তার মা শেইলা এবানা, প্রেমিকা ইনেস গার্সিয়া এবং ছোট ভাই কিয়েনকে নিয়ে তোলা ছবি ও ভিডিও প্রকাশের পর অল্প সময়ের মধ্যেই সেগুলো ভাইরাল হয়ে যায়। শিরোপা জয়ের আনন্দের পাশাপাশি ইয়ামাল ও তার পরিবারের এই মুহূর্তগুলোও আলোচনার অন্যতম বিষয় হয়ে ওঠে।

পুরো বিশ্বকাপজুড়েই গ্যালারিতে কিয়েনের উপস্থিতি ছিল দর্শকদের বাড়তি আকর্ষণ। ভাইয়ের খেলা দেখতে গিয়ে কখনও উচ্ছ্বাস, কখনও বিস্ময়, আবার কখনও আবেগঘন প্রতিক্রিয়া দেখাতে দেখা গেছে ছোট্ট কিয়েনকে। তার স্বতঃস্ফূর্ত অভিব্যক্তির ভিডিও ও ছবি নিয়মিত ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে, যা ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে।

ম্যাচ শেষ হওয়ার পর বড় পর্দায় ছোট ভাইকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করতেন ইয়ামাল। কিয়েনকে দেখতে পেয়ে দূর থেকেই হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানানোর দৃশ্যগুলোও সমর্থকদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। দুই ভাইয়ের এই আন্তরিক সম্পর্ক ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বিশ্বকাপের অন্যতম আবেগঘন মুহূর্ত হিসেবে জায়গা করে নেয়।

কিয়েনকে নিয়ে আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দেন ইয়ামালের মা শেইলা এবানা। তিনি নিয়মিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করতেন। সেই পোস্টগুলো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যেই কিয়েন বিশ্বকাপের সবচেয়ে পরিচিত শিশু মুখগুলোর একটিতে পরিণত হয়।

অন্যদিকে, বিশ্বকাপজুড়ে ইয়ামালের পাশে ছিলেন তার প্রেমিকা ইনেস গার্সিয়াও। চলতি বছরের মে মাসে নিজেদের সম্পর্ক প্রকাশ্যে আনার পর এই প্রথম বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে একসঙ্গে আলোচনায় আসেন তারা। ফ্যাশন ও বিউটি ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে পরিচিত ইনেস স্টেডিয়ামে নিয়মিত উপস্থিত থেকে ইয়ামালকে সমর্থন দিয়েছেন। আড়ম্বরপূর্ণ সাজের পরিবর্তে তার সাধারণ ও স্বাভাবিক উপস্থিতিও সমর্থকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

বিশ্বকাপে নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে স্পেনকে শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন লামিন ইয়ামাল। তবে মাঠের বাইরের গল্পে তার ছোট ভাই কিয়েনও সমানভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। দুই ভাইয়ের আন্তরিক সম্পর্ক এবং পারিবারিক মুহূর্তগুলো এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে স্মরণীয় দৃশ্যগুলোর একটি হয়ে থাকবে।

Tag :
জনপ্রিয়

বিশ্বকাপ জয়ের উৎসবে ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ইয়ামালের উচ্ছ্বাস

Update Time : ১১:২৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে যখন পুরো দল শিরোপা উদযাপনে ব্যস্ত, তখন মাঠের বাইরের একটি দৃশ্য কেড়ে নিয়েছে সমর্থকদের নজর। তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালের সঙ্গে তার ছোট ভাই কিয়েনের আবেগঘন মুহূর্তগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। মাত্র তিন বছর বয়সি কিয়েনের হাসি, উচ্ছ্বাস এবং সরল অভিব্যক্তি বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করেছে।

ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মাঠেই আনন্দ ভাগাভাগি করেন ১৯ বছর বয়সি তারকা ইয়ামাল। তার মা শেইলা এবানা, প্রেমিকা ইনেস গার্সিয়া এবং ছোট ভাই কিয়েনকে নিয়ে তোলা ছবি ও ভিডিও প্রকাশের পর অল্প সময়ের মধ্যেই সেগুলো ভাইরাল হয়ে যায়। শিরোপা জয়ের আনন্দের পাশাপাশি ইয়ামাল ও তার পরিবারের এই মুহূর্তগুলোও আলোচনার অন্যতম বিষয় হয়ে ওঠে।

পুরো বিশ্বকাপজুড়েই গ্যালারিতে কিয়েনের উপস্থিতি ছিল দর্শকদের বাড়তি আকর্ষণ। ভাইয়ের খেলা দেখতে গিয়ে কখনও উচ্ছ্বাস, কখনও বিস্ময়, আবার কখনও আবেগঘন প্রতিক্রিয়া দেখাতে দেখা গেছে ছোট্ট কিয়েনকে। তার স্বতঃস্ফূর্ত অভিব্যক্তির ভিডিও ও ছবি নিয়মিত ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে, যা ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে।

ম্যাচ শেষ হওয়ার পর বড় পর্দায় ছোট ভাইকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করতেন ইয়ামাল। কিয়েনকে দেখতে পেয়ে দূর থেকেই হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানানোর দৃশ্যগুলোও সমর্থকদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। দুই ভাইয়ের এই আন্তরিক সম্পর্ক ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বিশ্বকাপের অন্যতম আবেগঘন মুহূর্ত হিসেবে জায়গা করে নেয়।

কিয়েনকে নিয়ে আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দেন ইয়ামালের মা শেইলা এবানা। তিনি নিয়মিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করতেন। সেই পোস্টগুলো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যেই কিয়েন বিশ্বকাপের সবচেয়ে পরিচিত শিশু মুখগুলোর একটিতে পরিণত হয়।

অন্যদিকে, বিশ্বকাপজুড়ে ইয়ামালের পাশে ছিলেন তার প্রেমিকা ইনেস গার্সিয়াও। চলতি বছরের মে মাসে নিজেদের সম্পর্ক প্রকাশ্যে আনার পর এই প্রথম বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে একসঙ্গে আলোচনায় আসেন তারা। ফ্যাশন ও বিউটি ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে পরিচিত ইনেস স্টেডিয়ামে নিয়মিত উপস্থিত থেকে ইয়ামালকে সমর্থন দিয়েছেন। আড়ম্বরপূর্ণ সাজের পরিবর্তে তার সাধারণ ও স্বাভাবিক উপস্থিতিও সমর্থকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

বিশ্বকাপে নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে স্পেনকে শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন লামিন ইয়ামাল। তবে মাঠের বাইরের গল্পে তার ছোট ভাই কিয়েনও সমানভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। দুই ভাইয়ের আন্তরিক সম্পর্ক এবং পারিবারিক মুহূর্তগুলো এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে স্মরণীয় দৃশ্যগুলোর একটি হয়ে থাকবে।