১০:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গা হেযবুত তওহীদের উদ্যোগে দামুড়হুদার বিষ্ণুপুরে কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

 

দেশের কৃষক সমাজের ন্যায্য অধিকার, সমৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার মধ্য দিয়ে এ সভা সম্পন্ন হয়।

হেযবুত তওহীদের চুয়াডাঙ্গা জেলা সভাপতি মো: জুয়েল রানার সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হেযবুত তওহীদ এর কুষ্টিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক সভাপতি, মোঃ জসেব উদ্দিন ।   

প্রধানবক্তা বলেন,“কৃষকের উন্নয়ন ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। আমাদের সবাইকে কৃষকের পাশে দাঁড়াতে হবে, তাদের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে।

কৃষকের দুর্দশা, কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য, সার ও বীজের সহজলভ্যতা, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার, এবং কৃষি বান্ধব নীতিমালার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরো বলেন আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেন, শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগে তাকে তার পারিশ্রমিক পরিশোধ করতে হবে। অথচ আমাদের দেশে হয় তার উল্টাটা। এছাড়া অন্যান্য বৈষম্য দূর করতে হলে, তওহীদ ভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার ছাড়া বিকল্প নেই। 

এছাড়াও আরোও বলেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সাধারণ কৃষকেরা আজ একতাবদ্ধ হতে শুরু করেছেন। কৃষকের কণ্ঠস্বরকে আরও জোরালো করতে আমাদের সচেতনতা ও সংগঠিত প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।”

সভায় উপস্থিত স্থানীয় কৃষকরা তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তারা সবাই একমত হন যে, কৃষিকে অগ্রাধিকার না দিলে দেশের উন্নয়ন মজবুত হবে না।

অনুষ্ঠান শেষে কৃষকদের জন্য কিছু দিকনির্দেশনা এবং সম্ভাব্য সহযোগিতা পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়।

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গা হেযবুত তওহীদের উদ্যোগে দামুড়হুদার বিষ্ণুপুরে কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

Update Time : ০২:৪৯:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

দেশের কৃষক সমাজের ন্যায্য অধিকার, সমৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার মধ্য দিয়ে এ সভা সম্পন্ন হয়।

হেযবুত তওহীদের চুয়াডাঙ্গা জেলা সভাপতি মো: জুয়েল রানার সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হেযবুত তওহীদ এর কুষ্টিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক সভাপতি, মোঃ জসেব উদ্দিন ।   

প্রধানবক্তা বলেন,“কৃষকের উন্নয়ন ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। আমাদের সবাইকে কৃষকের পাশে দাঁড়াতে হবে, তাদের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে।

কৃষকের দুর্দশা, কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য, সার ও বীজের সহজলভ্যতা, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার, এবং কৃষি বান্ধব নীতিমালার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরো বলেন আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেন, শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগে তাকে তার পারিশ্রমিক পরিশোধ করতে হবে। অথচ আমাদের দেশে হয় তার উল্টাটা। এছাড়া অন্যান্য বৈষম্য দূর করতে হলে, তওহীদ ভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার ছাড়া বিকল্প নেই। 

এছাড়াও আরোও বলেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সাধারণ কৃষকেরা আজ একতাবদ্ধ হতে শুরু করেছেন। কৃষকের কণ্ঠস্বরকে আরও জোরালো করতে আমাদের সচেতনতা ও সংগঠিত প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।”

সভায় উপস্থিত স্থানীয় কৃষকরা তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তারা সবাই একমত হন যে, কৃষিকে অগ্রাধিকার না দিলে দেশের উন্নয়ন মজবুত হবে না।

অনুষ্ঠান শেষে কৃষকদের জন্য কিছু দিকনির্দেশনা এবং সম্ভাব্য সহযোগিতা পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়।