০১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় হামের উপসর্গে আক্রান্ত ৩, রোগী ভর্তি: পরিস্থিতি সামাল দিতে আইসোলেশন ওয়ার্ড প্রস্তুত

  • NEWS ROOM
  • Update Time : ১২:০২:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • 187
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এর আগে ৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়। এর মধ্যে ২ জনকে ইতোমধ্যে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ৩ জন হাম আক্রান্ত রোগী।
আক্রান্তরা হলো, দামুড়হুদা উপজেলার জুড়ানপুর গ্রামের ইয়াছিন আলীর ছেলে ৮ মাস বয়সী ইয়াকুব আলী ও জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া গ্রামের সম্রাটের ৮ মাস বয়সী কন্যা আনিকা। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে সদর উপজেলার সরোজগঞ্জ এলাকার সহিদুল ইসলামের মেয়ে ৯ মাস বয়সী সানজিদা। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তাদের সবার প্রথমে জ্বর ও ঠান্ডা কাশি হয়। এরপর শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয়।
হাসপাতালে নেওয়ার পর হাম শনাক্ত হন। তবে সবাই শংকামুক্ত আছে। হাম আক্রান্ত ইয়াকুব আলীর দাদা ইদ্রিস আলী বলেন, ‘প্রথমে জ্বর আসলো, তারপর ধীরে ধীরে ঠাণ্ডা কাশি শুরু। এরপর দেখছি শিশুর সমস্ত শরীরে লালচে ফুসকুড়ি বেড়াচ্ছে। তারপর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসার পর ডাক্তার বললো হাম হয়েছে। এখন হামের চিকিৎসা চলছে’। অপর হাম আক্রান্ত শিশু আনিকার মা রুবাইয়া খাতুন বলেন, ‘আমার বাচ্চার ঠাণ্ডা কাশির পর ডায়রিয়া হয়েছিল। তারপর শুরু হলো হাম। নিয়মিতভাবে হাসপাতালে ডাক্তার দেখছে এবং চিকিৎসা দিচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার আসাদুর রহমান মালিক খোকন বলেন, ‘এখন হঠাৎ করে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড প্রস্তুত রয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার জানান, হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তাদের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফল না আসা পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামের সংক্রমণ বলা যাচ্ছে না
Tag :
জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় হামের উপসর্গে আক্রান্ত ৩, রোগী ভর্তি: পরিস্থিতি সামাল দিতে আইসোলেশন ওয়ার্ড প্রস্তুত

Update Time : ১২:০২:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এর আগে ৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়। এর মধ্যে ২ জনকে ইতোমধ্যে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ৩ জন হাম আক্রান্ত রোগী।
আক্রান্তরা হলো, দামুড়হুদা উপজেলার জুড়ানপুর গ্রামের ইয়াছিন আলীর ছেলে ৮ মাস বয়সী ইয়াকুব আলী ও জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া গ্রামের সম্রাটের ৮ মাস বয়সী কন্যা আনিকা। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে সদর উপজেলার সরোজগঞ্জ এলাকার সহিদুল ইসলামের মেয়ে ৯ মাস বয়সী সানজিদা। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তাদের সবার প্রথমে জ্বর ও ঠান্ডা কাশি হয়। এরপর শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয়।
হাসপাতালে নেওয়ার পর হাম শনাক্ত হন। তবে সবাই শংকামুক্ত আছে। হাম আক্রান্ত ইয়াকুব আলীর দাদা ইদ্রিস আলী বলেন, ‘প্রথমে জ্বর আসলো, তারপর ধীরে ধীরে ঠাণ্ডা কাশি শুরু। এরপর দেখছি শিশুর সমস্ত শরীরে লালচে ফুসকুড়ি বেড়াচ্ছে। তারপর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসার পর ডাক্তার বললো হাম হয়েছে। এখন হামের চিকিৎসা চলছে’। অপর হাম আক্রান্ত শিশু আনিকার মা রুবাইয়া খাতুন বলেন, ‘আমার বাচ্চার ঠাণ্ডা কাশির পর ডায়রিয়া হয়েছিল। তারপর শুরু হলো হাম। নিয়মিতভাবে হাসপাতালে ডাক্তার দেখছে এবং চিকিৎসা দিচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার আসাদুর রহমান মালিক খোকন বলেন, ‘এখন হঠাৎ করে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড প্রস্তুত রয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার জানান, হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তাদের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফল না আসা পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামের সংক্রমণ বলা যাচ্ছে না