স্টাফ রিপোর্টার:
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কুমারী ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামের এক খামারে এখন দর্শনার্থীদের ভিড় লেগেই আছে। আর সেই আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হলো বিশাল আকৃতির দানবসদৃশ মহিষ “রাজা বাবু”। দেখতে যেন ছোটখাটো একটি হাতি—কুচকুচে কালো রঙ, সুউচ্চ দেহ, লম্বা গঠন আর তরতাজা উপস্থিতিতে এক নজরেই সবার মন কাড়ছে এই মহিষটি।
খামার মালিক আলম হোসেন জানান, প্রায় এক বছর আগে তিনি শখের বসে ৫ লাখ টাকা দিয়ে মহিষটি কিনে আনেন। শুরু থেকেই তার স্বপ্ন ছিল মহিষটিকে বড় করে কোরবানির ঈদে উচ্চ মূল্যে বিক্রি করবেন। সেই লক্ষ্য নিয়েই গত এক বছর ধরে রাজা বাবুকে বিশেষ যত্ন ও পুষ্টিকর খাবার খাইয়ে লালন-পালন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “আমার খামারে আরও চারটি মহিষ আছে। তবে রাজা বাবুকে সবচেয়ে বেশি যত্নে বড় করেছি। তাকে দেখাশোনার জন্য আলাদা দুইজন লোক রাখা হয়েছে। প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার টাকার খাবার দেওয়া হয়। ছোলা, ভুট্টা, খৈল, ভুসি ও নানা ধরনের পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ানো হয় তাকে।”
খামারে গিয়ে দেখা যায়, বিশাল আকৃতির এই মহিষটি দেখতে উৎসুক মানুষজন ভিড় করছেন। অনেকে ছবি তুলছেন, আবার কেউ কেউ বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখছেন “রাজা বাবু”-কে। স্থানীয়দের মতে, এমন বিশাল ও সৌন্দর্যমণ্ডিত মহিষ এলাকায় খুব কমই দেখা যায়।
খামার মালিক আলম হোসেন আরও জানান, আসন্ন পবিত্র কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে রাজা বাবুকে প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনি মহিষটির আনুমানিক মূল্য নির্ধারণ করেছেন ১৫ লাখ টাকা। তার আশা, শখ আর শ্রমের প্রতিদান হিসেবে ভালো দামেই বিক্রি হবে রাজা বাবু।
তিনি বলেন, “যে কেউ রাজা বাবুকে কিনতে চাইলে সরাসরি আমাদের শ্যামপুর গ্রামের খামারে এসে দেখতে পারবেন।”
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি 





















