০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে ১৫ চোরাই গাড়িসহ গ্রেফতার ৭

  • Update Time : ১১:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৩
  • 160

ফরিদপুরে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে তাদের কাছ থেকে ৯টি চোরাই মোটরসাইকেল ও ৬টি চোরাই ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়।

শনিবার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার শাহজাহান।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- রাসেল ওরফে মনির মাতুব্বর, বাদশা ফকির, সিদ্দিক সরদার, আল-আমিন, আয়নাল হোসেন, সাদ্দাম মোল্যা ও ইয়াছিন খাঁ। তাদের বাড়ি ঢাকা, রাজবাড়ীসহ ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে।

পুলিশ সুপার শাহজাহান জানান, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহরের রাজবাড়ী রাস্তার মোড় থেকে রাসেল ওরফে মনির মাতুব্বরকে গ্রেফতার করার পর তার কাছে একটি চোরাই মোটরসাইকেল ও একটি ‘মাস্টার কী’ (চাবি) জব্দ করা হয়।

রাসেলকে জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তিনি বিভিন্ন জায়গা থেকে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইক চুরি করেন। তার সহযোগী বাদশা, সিদ্দিক ও সাদ্দাম। সিদ্দিক ও বাদশা চুরি করার জন্য ‘মাস্টার কী’ তৈরি করে দেন। তাদের কাছে চুরি করা মালামালও রয়েছে।

রাসেলের দেওয়া তথ্যমতে, শুক্রবার দুপুরে সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ছনেরটেক গ্রামে বাদশার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বাদশা ফকিরকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার বাড়ি থেকে ৩টি ডিসকভার ও একটি রোড মাস্টার মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। বিকেলে সিদ্দিকের বাড়ি রঘুনন্দনপুরে অভিযান চালিয়ে একটি পালসার, দুটি ডিসকভার ও একটি রেঞ্জার মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয় এবং সিদ্দিক সরদারকে গ্রেফতার করা হয়।

এরপর সিদ্দিকের দেওয়া তথ্যমতে, রাতে রাজবাড়ী জেলার জবানীপাড়া গ্রামের বাড়ি থেকে আল-আমিনকে গ্রেফতার করা হয়। তার হেফাজতে থাকা তিনটি চোরাই ইজিবাইক উদ্ধার করা হয় এবং শুক্রবার রাতে সদরপুর উপজেলার হাটকৃষ্ণপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আয়নাল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার বাড়িতে থাকা তিনটি ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়।

পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যমতে, শনিবার ভোররাতে ফরিদপুর শহরের আলীপুর বাদামতলী সড়ক থেকে সহযোগী ইয়াছিন খাঁ ও নর্থচ্যানেল থেকে সাদ্দাম মোল্যাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সুপার বলেন, গ্রেফতারকৃতরা পরস্পর যোগসাজশে সংঘবদ্ধ হয়ে দীর্ঘদিন ধরে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইক চুরি করে বিক্রি করে আসছিলেন। তারা আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল ও ইজিবাইক চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য।

তিনি আরো বলেন, গ্রেফতার রাসেলের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ১১টি, বাদশার ৯টি, সিদ্দিকের ৮টি, সাদ্দামের ৪টি, ইয়াছিনের ৪টি ও আল-আমিনের নামে একাধিক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে

Tag :
জনপ্রিয়

নারী সহকর্মীর সঙ্গে যৌন অসদাচরণ, মার্কিন গবেষণাগার ছাড়ছেন বিশ্বখ্যাত ভারতীয় বিজ্ঞানী

ফরিদপুরে ১৫ চোরাই গাড়িসহ গ্রেফতার ৭

Update Time : ১১:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৩

ফরিদপুরে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে তাদের কাছ থেকে ৯টি চোরাই মোটরসাইকেল ও ৬টি চোরাই ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়।

শনিবার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার শাহজাহান।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- রাসেল ওরফে মনির মাতুব্বর, বাদশা ফকির, সিদ্দিক সরদার, আল-আমিন, আয়নাল হোসেন, সাদ্দাম মোল্যা ও ইয়াছিন খাঁ। তাদের বাড়ি ঢাকা, রাজবাড়ীসহ ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে।

পুলিশ সুপার শাহজাহান জানান, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহরের রাজবাড়ী রাস্তার মোড় থেকে রাসেল ওরফে মনির মাতুব্বরকে গ্রেফতার করার পর তার কাছে একটি চোরাই মোটরসাইকেল ও একটি ‘মাস্টার কী’ (চাবি) জব্দ করা হয়।

রাসেলকে জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তিনি বিভিন্ন জায়গা থেকে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইক চুরি করেন। তার সহযোগী বাদশা, সিদ্দিক ও সাদ্দাম। সিদ্দিক ও বাদশা চুরি করার জন্য ‘মাস্টার কী’ তৈরি করে দেন। তাদের কাছে চুরি করা মালামালও রয়েছে।

রাসেলের দেওয়া তথ্যমতে, শুক্রবার দুপুরে সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ছনেরটেক গ্রামে বাদশার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বাদশা ফকিরকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার বাড়ি থেকে ৩টি ডিসকভার ও একটি রোড মাস্টার মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। বিকেলে সিদ্দিকের বাড়ি রঘুনন্দনপুরে অভিযান চালিয়ে একটি পালসার, দুটি ডিসকভার ও একটি রেঞ্জার মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয় এবং সিদ্দিক সরদারকে গ্রেফতার করা হয়।

এরপর সিদ্দিকের দেওয়া তথ্যমতে, রাতে রাজবাড়ী জেলার জবানীপাড়া গ্রামের বাড়ি থেকে আল-আমিনকে গ্রেফতার করা হয়। তার হেফাজতে থাকা তিনটি চোরাই ইজিবাইক উদ্ধার করা হয় এবং শুক্রবার রাতে সদরপুর উপজেলার হাটকৃষ্ণপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আয়নাল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার বাড়িতে থাকা তিনটি ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়।

পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যমতে, শনিবার ভোররাতে ফরিদপুর শহরের আলীপুর বাদামতলী সড়ক থেকে সহযোগী ইয়াছিন খাঁ ও নর্থচ্যানেল থেকে সাদ্দাম মোল্যাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সুপার বলেন, গ্রেফতারকৃতরা পরস্পর যোগসাজশে সংঘবদ্ধ হয়ে দীর্ঘদিন ধরে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইক চুরি করে বিক্রি করে আসছিলেন। তারা আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল ও ইজিবাইক চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য।

তিনি আরো বলেন, গ্রেফতার রাসেলের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ১১টি, বাদশার ৯টি, সিদ্দিকের ৮টি, সাদ্দামের ৪টি, ইয়াছিনের ৪টি ও আল-আমিনের নামে একাধিক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে