ছোট শিশু তাসলিম। বয়স সাতের মতো হবে। পড়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে। এখনো জীবনকে বুঝতে শেখেনি। তার আগেই বাসা বেঁধেছে অসুখ। এই বয়সেই কিডনি দু’টি নষ্ট হয়ে গেছে। বাবা আলমগীরের একমাত্র ধন তাসলিম। তাকে বাঁচাতে গিয়ে বিক্রি করে দিয়েছেন সহায় সম্বল। তবুও পূর্ণ খরচ যোগাতে পারেননি তিনি। অসহায় হয়ে এখন দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে বিত্তবান শ্রেণির।
শিশু তাসলিম বাঁচতে চায়। কিডনি দু‘টির অপারেশনে লাগবে ১০ লাখের মতো টাকা। ভারতে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে। নিজের সহায়-সম্পদ বিক্রি করে পাঁচ লাখ টাকা যোগাড় করেছেন বাবা। তাতে চিকিৎসা করিয়েছেন একটি কিডনির। আরেকটি কিডনির চিকিৎসায় লাগবে আরো পাঁচ লাখ টাকা। সেটার জন্য সবার মনোযোগ আকর্ষণ করা।
বাবা আলমগীরের এখন মাথা গোঁজার মতো কেবল ঘর আছে। ছেলের চিকিৎসার জন্য সেটাও বিক্রি করা লাগতে পারে। তিনি আশা করছেন, বিত্তবান শ্রেণি এ কঠিন পরিস্থিতিতে তার পাশে দাঁড়াবেন। হাসি ফোটানোর চেষ্টা করছেন ছোট তাসলিমের।
আসুন আমরা সবাই তাসলিমের সেই আগের সুন্দর হাসিটা ফিরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করতে পারি। পাশে দাঁড়াই অসহায় এক বাবার।
আগ্রহীরা এই নম্বরে বিকাশ করতে পারি।
আলমগীর হোসেন (বাবা)
০১৯২৯২৯৫৪২৪ (বিকাশ পার্সনাল)




















