০৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ভোক্তা-অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান: দুটি বেকারিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

মোঃ আব্দুল্লাহ হক, চুয়াডাঙ্গা: জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া এলাকায় একটি তদারকিমূলক অভিযান পরিচালিত হয়েছে। রবিবার ৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত পরিচালিত এই অভিযানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, ওষুধ এবং বেকারি খাদ্য সামগ্রীর গুণগত মান ও সঠিকতা যাচাই করা হয়।

অভিযানে দুটি বেকারি প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর অধীনে মোট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মেসার্স এস এ ফুড প্রোডাক্ট নামের একটি বেকারিকে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৩৭ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এই বেকারিটির বিরুদ্ধে উৎপাদিত পণ্যে উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ না করার অভিযোগ আনা হয়।

একইভাবে, মেসার্স নুর নাহার নামের আরেকটি বেকারিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানটিও পণ্যে সঠিক তথ্য উল্লেখ করেনি এবং তাদের লাইসেন্স নবায়ন করা ছিল না।

অভিযানের সময়, জরিমানা আরোপের পাশাপাশি বেকারি কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র হালনাগাদ করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এই অভিযান পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নরেশ চন্দ্র বিশ্বাস এবং জেলা পুলিশের একটি দল।

ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষার্থে এ ধরনের তদারকিমূলক অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চুয়াডাঙ্গা।

 

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ভোক্তা-অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান: দুটি বেকারিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

Update Time : ১০:৩১:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মোঃ আব্দুল্লাহ হক, চুয়াডাঙ্গা: জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া এলাকায় একটি তদারকিমূলক অভিযান পরিচালিত হয়েছে। রবিবার ৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত পরিচালিত এই অভিযানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, ওষুধ এবং বেকারি খাদ্য সামগ্রীর গুণগত মান ও সঠিকতা যাচাই করা হয়।

অভিযানে দুটি বেকারি প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর অধীনে মোট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মেসার্স এস এ ফুড প্রোডাক্ট নামের একটি বেকারিকে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৩৭ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এই বেকারিটির বিরুদ্ধে উৎপাদিত পণ্যে উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ না করার অভিযোগ আনা হয়।

একইভাবে, মেসার্স নুর নাহার নামের আরেকটি বেকারিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানটিও পণ্যে সঠিক তথ্য উল্লেখ করেনি এবং তাদের লাইসেন্স নবায়ন করা ছিল না।

অভিযানের সময়, জরিমানা আরোপের পাশাপাশি বেকারি কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র হালনাগাদ করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এই অভিযান পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নরেশ চন্দ্র বিশ্বাস এবং জেলা পুলিশের একটি দল।

ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষার্থে এ ধরনের তদারকিমূলক অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চুয়াডাঙ্গা।