নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পাগলা এলাকায় নিজ কিশোরী মেয়েকে (১৫) ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবা মো. রুবেলকে (৩৭) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার ভোরে তাকে ফতুল্লা মডেল থানার পাগলা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ফতুল্লা মডেল থানার এসআই সালেহা আক্তার তুহিন। তিনি বলেন, গ্রেফতারের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, কিশোরী মেয়ে বাদী হয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এনে গ্রেফতারকৃত মো. রুবেলকে অভিযুক্ত করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
গ্রেফতার মো. রুবেল নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচরের চরলক্ষ্মী গ্রামের শাহজাহানের পুত্র।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, কিশোরী মেয়েটির (বাদী) জন্মের ১ বছর পর তার বাবা-মায়ের ডিভোর্স হয়। তখন থেকে কিশোরী নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচরের আক্তার মিার হাটে অবস্থিত তার নানা-নানির বাসায় বসবাস করে আসছিলো। অপরদিকে, ফিরোজা বেগম নামে এক নারীকে বাবা গ্রেফতারকৃত মো. রুবেল বিয়ে করে ফতুল্লা মডেল থানার পাগলা চিতাশাল এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন। রুবেল পাগলা-মুন্সিখোলায় ট্রাক ভাড়ার ব্রোকার হিসেবে এবং সৎ মা একটি গার্মেন্টসে কাজ করে আসছিলেন। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে রুবেল নানা-নানির বাড়ি থেকে পাগলাস্থ নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন কিশোরী মেয়েকে।
চলতি মাসের ৪ তারিখ সকাল ৮টার দিকে ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা ও সৎ মা নিজনিজ কাজে চলে যান। দুপুর ২টার দিকে বাবা বাসায় খেতে আসেন। বিকেল ৪টার দিকে দরজা বন্ধ করে কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বাবা রুবেল। এ সময় কিশোরী তাকে ধাক্কা দিয়ে ঘরের দরজা খুলে বাইরে গিয়ে চিৎকার করতে থাকে। পরে তার সৎমায়ের বোন সুমির (২৩) কাছে আশ্রয় নিয়ে সব ঘটনা খুলে বলে। তার সহোযোগিতায় ভুক্তভোগী কিশোরী নোয়াখালীর গ্রামের বাড়িতে গিয়ে আত্মীয়-স্বজনদের অবগত করে।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি নূরে আযম মিয়া (পিপিএম) জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে




















