০৩:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষায় তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা দ্রুত চূড়ান্ত করার দাবি

  • Update Time : ০৫:৪৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
  • 90

জাতীয় তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে প্রত্যাশা সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা, বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (বাটা) এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লুউবিবি) ট্রাস্ট যৌথ উদ্যোগে উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামার বাড়ী, চুয়াডাঙ্গার নিকট ‘তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা (খসড়া)’ দ্রুত চূড়ান্ত করার অনুরোধ জানিয়ে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেছে।

বেসরকারিভাবে পালিত ‘জাতীয় তামাকমুক্ত দিবস’  এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। সংস্থাগুলো অবিলম্বে তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা চূড়ান্ত করার পাশাপাশি ৯ অক্টোবরকে সরকারিভাবে ‘জাতীয় তামাকমুক্ত দিবস’ হিসেবে ঘোষণার দাবি জানিয়েছে।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, সারাদেশে তামাক কোম্পানির আগ্রাসী প্ররোচনায় তামাক চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে একদিকে যেমন কৃষিজমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে। কৃষিজমিতে তামাক চাষ খাদ্য নিরাপত্তার জন্য সর্বনাশ ডেকে আনছে। বক্তারা বলেন, দেশের সংবিধানে জনস্বাস্থ্যের উন্নতিকে রাষ্ট্রের প্রাথমিক দায়িত্ব হিসেবে গণ্য করা হলেও তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণে কৃষি মন্ত্রণালয়ের নীরব ভূমিকা সরকারের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রচেষ্টাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

তারা তামাক চাষ বন্ধে কৃষকদেরকে তামাকের বিকল্প লাভজনক ফসল চাষে উৎসাহিত করতে কারিগরি সহায়তা, উন্নত বীজ, সার ও জামানতবিহীন স্বল্প সেবামূল্যে ঋণ প্রদানের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। একই সাথে, জনস্বাস্থ্য রক্ষায় তামাক চাষের জমি কমিয়ে আনাসহ নতুন করে কোনো তামাকজাত পণ্য উৎপাদনকারী কোম্পানিকে অনুমতি না দেওয়ার জন্য আদালতের রায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়।

সংস্থাগুলো বিশ্বাস করে, দ্রুত এই নীতিমালা চূড়ান্ত হলে কৃষিজমিতে তামাকের আগ্রাসন কমবে এবং ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে।

Tag :
জনপ্রিয়

খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষায় তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা দ্রুত চূড়ান্ত করার দাবি

Update Time : ০৫:৪৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

জাতীয় তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে প্রত্যাশা সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা, বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (বাটা) এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লুউবিবি) ট্রাস্ট যৌথ উদ্যোগে উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামার বাড়ী, চুয়াডাঙ্গার নিকট ‘তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা (খসড়া)’ দ্রুত চূড়ান্ত করার অনুরোধ জানিয়ে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেছে।

বেসরকারিভাবে পালিত ‘জাতীয় তামাকমুক্ত দিবস’  এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। সংস্থাগুলো অবিলম্বে তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা চূড়ান্ত করার পাশাপাশি ৯ অক্টোবরকে সরকারিভাবে ‘জাতীয় তামাকমুক্ত দিবস’ হিসেবে ঘোষণার দাবি জানিয়েছে।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, সারাদেশে তামাক কোম্পানির আগ্রাসী প্ররোচনায় তামাক চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে একদিকে যেমন কৃষিজমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে। কৃষিজমিতে তামাক চাষ খাদ্য নিরাপত্তার জন্য সর্বনাশ ডেকে আনছে। বক্তারা বলেন, দেশের সংবিধানে জনস্বাস্থ্যের উন্নতিকে রাষ্ট্রের প্রাথমিক দায়িত্ব হিসেবে গণ্য করা হলেও তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণে কৃষি মন্ত্রণালয়ের নীরব ভূমিকা সরকারের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রচেষ্টাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

তারা তামাক চাষ বন্ধে কৃষকদেরকে তামাকের বিকল্প লাভজনক ফসল চাষে উৎসাহিত করতে কারিগরি সহায়তা, উন্নত বীজ, সার ও জামানতবিহীন স্বল্প সেবামূল্যে ঋণ প্রদানের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। একই সাথে, জনস্বাস্থ্য রক্ষায় তামাক চাষের জমি কমিয়ে আনাসহ নতুন করে কোনো তামাকজাত পণ্য উৎপাদনকারী কোম্পানিকে অনুমতি না দেওয়ার জন্য আদালতের রায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়।

সংস্থাগুলো বিশ্বাস করে, দ্রুত এই নীতিমালা চূড়ান্ত হলে কৃষিজমিতে তামাকের আগ্রাসন কমবে এবং ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে।