০৬:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে শিকলবন্দী সুলতানার চিকিৎসা করাবে স্বাস্থ্য বিভাগ

  • Update Time : ০৬:৫৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২১
  • 165

 

 

নয়ন দাস,কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ এক যুগ ধরে শিকলবন্দী কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার মানসিক ভারসাম্যহীন সুলতানা (২৮)। প্রতিবন্ধীতার কারণে দুপায়ে শিকলবন্দী হয়ে দিন কাটছে তার। শিকলবন্দী জীবন থেকে মুক্তি দিতে তার পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

 

দৈনিক ইনফো বাংলা,সুন্নি সমাচার,দৈনিক স্বদেশের খবর সহ বিভিন্ন  গণ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর সুলতানার চিকিৎসার আশ্বাস দিয়েছেন কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নজরুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) সুলতানার বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের লোকজনকে এ আশ্বাস দেন তিনি। 

 

সুলতানা সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের মোক্তারের হাট এলাকার মৃত ছকমাল হোসেনের মেয়ে। ১০/১২ বছর আগে বিয়ের পর হঠাৎ মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছেন সুলতানা। এতে তার স্বামী তাকে ডিভোর্স দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। অর্থের অভাবে কবিরাজি চিকিৎসা করার কারণে তিনি আর সুস্থ হয়ে ওঠেননি। উন্নত চিকিৎসা না পাওয়ায় এবং অযত্ন-অবহেলায় ধীরে ধীরে মানসিক বিকারগ্রস্থ হয়ে পড়েন সুলতানা। হুটহাট দিনে রাতে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ানোর কারণে শিকল দিয়ে দুই পা বেঁধে রাখা হয় তাকে।

 

সুলতানার ভাবী রেহেনা বেগম বলেন, ‘সুলতানার এই অবস্থা দেখে স্বাস্থ্য বিভাগ যে দায়িত্ব নিলেন,আমরা এতে খুব খুশি। আমরা চাই সুলতানা ভালো হোক। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক। পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা ডা. নজরুল ইসলাম জানান, স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে সকলের সহযোগিতায় সুলতানার চিকিৎসার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

Tag :
জনপ্রিয়

নারী সহকর্মীর সঙ্গে যৌন অসদাচরণ, মার্কিন গবেষণাগার ছাড়ছেন বিশ্বখ্যাত ভারতীয় বিজ্ঞানী

কুড়িগ্রামে শিকলবন্দী সুলতানার চিকিৎসা করাবে স্বাস্থ্য বিভাগ

Update Time : ০৬:৫৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২১

 

 

নয়ন দাস,কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ এক যুগ ধরে শিকলবন্দী কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার মানসিক ভারসাম্যহীন সুলতানা (২৮)। প্রতিবন্ধীতার কারণে দুপায়ে শিকলবন্দী হয়ে দিন কাটছে তার। শিকলবন্দী জীবন থেকে মুক্তি দিতে তার পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

 

দৈনিক ইনফো বাংলা,সুন্নি সমাচার,দৈনিক স্বদেশের খবর সহ বিভিন্ন  গণ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর সুলতানার চিকিৎসার আশ্বাস দিয়েছেন কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নজরুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) সুলতানার বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের লোকজনকে এ আশ্বাস দেন তিনি। 

 

সুলতানা সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের মোক্তারের হাট এলাকার মৃত ছকমাল হোসেনের মেয়ে। ১০/১২ বছর আগে বিয়ের পর হঠাৎ মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছেন সুলতানা। এতে তার স্বামী তাকে ডিভোর্স দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। অর্থের অভাবে কবিরাজি চিকিৎসা করার কারণে তিনি আর সুস্থ হয়ে ওঠেননি। উন্নত চিকিৎসা না পাওয়ায় এবং অযত্ন-অবহেলায় ধীরে ধীরে মানসিক বিকারগ্রস্থ হয়ে পড়েন সুলতানা। হুটহাট দিনে রাতে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ানোর কারণে শিকল দিয়ে দুই পা বেঁধে রাখা হয় তাকে।

 

সুলতানার ভাবী রেহেনা বেগম বলেন, ‘সুলতানার এই অবস্থা দেখে স্বাস্থ্য বিভাগ যে দায়িত্ব নিলেন,আমরা এতে খুব খুশি। আমরা চাই সুলতানা ভালো হোক। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক। পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা ডা. নজরুল ইসলাম জানান, স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে সকলের সহযোগিতায় সুলতানার চিকিৎসার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।