১১:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

৪৬ বছর বয়সে এসএসসি পাশ করলেন রহিমা

  • Update Time : ০৩:০৮:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০২৩
  • ৩৪ Time View
facebook sharing button
messenger sharing button
whatsapp sharing button
twitter sharing button
linkedin sharing button

অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর পরিবারের অনুপ্রেরণায় এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ৪৬ বছর বয়সি রহিমা বেগম।

তিনি কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে চতুর্থ শ্রেণির একটি পদে কর্মরত। তার বাবার নাম আছর উদ্দিন। স্বামী রাজমিস্ত্রি আব্দুল জলিল সরকার মজনু। তিনি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পৌর এলাকার খলিলগঞ্জ নাজিরাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

শুক্রবার এসএসসি সমমান পরীক্ষায় কুড়িগ্রাম কাঁঠালবাড়ি মহিউস সুন্নাহ মহিলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে এবারে দাখিল পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে ৩.৬০ জিপিএ পেয়ে উত্তীর্ণ হন।

জানা যায়, দারিদ্র্যতার কশাঘাতে পড়ে রহিমা বেগম চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করলেও আর পড়তে পারেননি। অল্প বয়সে বিয়ের পীড়িতে বসতে হয় তাকে। সংসারজীবনে তার রয়েছে এক মেয়ে ও এক ছেলে। ছেলে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে মাস্টার্স ফাইনাল বর্ষের ছাত্র। আর মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। দীর্ঘ বছর পর মেয়ের ছেলেকে নিয়ে স্কুল যাওয়া-আসা করতে পড়াশোনায় আবার উজ্জীবিত হন তিনি। সবশেষে কুড়িগ্রাম কাঁঠালবাড়ি মহিউস সুন্নাহ মহিলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষা দিলে ৩.৬০ জিপিএ পেয়ে উত্তীর্ণ হন ।

রহিমা বেগম বলেন, লোকলজ্জা আর বয়সের ভয় না করে আমি পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছি। আমার ইচ্ছে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার

Tag :
জনপ্রিয়

পান বরজে আগুন, পুড়ে শেষ হলো কৃষকের স্বপ্ন

৪৬ বছর বয়সে এসএসসি পাশ করলেন রহিমা

Update Time : ০৩:০৮:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০২৩
facebook sharing button
messenger sharing button
whatsapp sharing button
twitter sharing button
linkedin sharing button

অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর পরিবারের অনুপ্রেরণায় এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ৪৬ বছর বয়সি রহিমা বেগম।

তিনি কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে চতুর্থ শ্রেণির একটি পদে কর্মরত। তার বাবার নাম আছর উদ্দিন। স্বামী রাজমিস্ত্রি আব্দুল জলিল সরকার মজনু। তিনি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পৌর এলাকার খলিলগঞ্জ নাজিরাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

শুক্রবার এসএসসি সমমান পরীক্ষায় কুড়িগ্রাম কাঁঠালবাড়ি মহিউস সুন্নাহ মহিলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে এবারে দাখিল পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে ৩.৬০ জিপিএ পেয়ে উত্তীর্ণ হন।

জানা যায়, দারিদ্র্যতার কশাঘাতে পড়ে রহিমা বেগম চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করলেও আর পড়তে পারেননি। অল্প বয়সে বিয়ের পীড়িতে বসতে হয় তাকে। সংসারজীবনে তার রয়েছে এক মেয়ে ও এক ছেলে। ছেলে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে মাস্টার্স ফাইনাল বর্ষের ছাত্র। আর মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। দীর্ঘ বছর পর মেয়ের ছেলেকে নিয়ে স্কুল যাওয়া-আসা করতে পড়াশোনায় আবার উজ্জীবিত হন তিনি। সবশেষে কুড়িগ্রাম কাঁঠালবাড়ি মহিউস সুন্নাহ মহিলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষা দিলে ৩.৬০ জিপিএ পেয়ে উত্তীর্ণ হন ।

রহিমা বেগম বলেন, লোকলজ্জা আর বয়সের ভয় না করে আমি পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছি। আমার ইচ্ছে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার