০৭:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলমডাঙ্গায় ফুয়েল কার্ড নিতে এসে স্ট্রোকে মৃত্যু

  • Update Time : ০২:২১:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • 130

আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি:
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করতে এসে বখতিয়ার (৫৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলা মাঠে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত বখতিয়ার উপজেলার ভেদামারি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি হাজী রফি উদ্দিনের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফুয়েল কার্ড বিতরণের শেষ দিন হওয়ায় সকাল থেকেই উপজেলা মাঠে মানুষের ভিড় ছিল। ওই ভিড়ের মধ্যেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বখতিয়ার। উপস্থিত লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত নিকটস্থ ক্লিনিকে নিয়ে যান। তবে শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, আগের দিন থেকে ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু হয়। শেষ দিন হওয়ায় সকালে তাড়াতাড়ি কার্ড সংগ্রহ করতে মাঠে এসেছিলেন বখতিয়ার।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মৃত্যুতে ভেদামারি গ্রামে স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার বলেন, মৃত ব্যক্তি আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন। উপজেলা মাঠে অতিরিক্ত গরমে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে দ্রুত ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে স্ট্রোক করে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

Tag :
জনপ্রিয়

নারী সহকর্মীর সঙ্গে যৌন অসদাচরণ, মার্কিন গবেষণাগার ছাড়ছেন বিশ্বখ্যাত ভারতীয় বিজ্ঞানী

আলমডাঙ্গায় ফুয়েল কার্ড নিতে এসে স্ট্রোকে মৃত্যু

Update Time : ০২:২১:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি:
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করতে এসে বখতিয়ার (৫৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলা মাঠে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত বখতিয়ার উপজেলার ভেদামারি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি হাজী রফি উদ্দিনের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফুয়েল কার্ড বিতরণের শেষ দিন হওয়ায় সকাল থেকেই উপজেলা মাঠে মানুষের ভিড় ছিল। ওই ভিড়ের মধ্যেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বখতিয়ার। উপস্থিত লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত নিকটস্থ ক্লিনিকে নিয়ে যান। তবে শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, আগের দিন থেকে ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু হয়। শেষ দিন হওয়ায় সকালে তাড়াতাড়ি কার্ড সংগ্রহ করতে মাঠে এসেছিলেন বখতিয়ার।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মৃত্যুতে ভেদামারি গ্রামে স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার বলেন, মৃত ব্যক্তি আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন। উপজেলা মাঠে অতিরিক্ত গরমে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে দ্রুত ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে স্ট্রোক করে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।