০৭:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোহনগঞ্জে ৩ বছরের শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

  • Update Time : ০১:১৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • 118

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় অংকিত বর্মন নামে তিন বছর বয়সী এক শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চবিকেল আড়াইটার দিকে উপজেলার বরান্তর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত অংকিত বর্মন ওই গ্রামের সাগর বর্মনের ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছেঅংকিতের বাবা সাগর বর্মন সপরিবারে ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত। শিশুটির দাদি বিশু রানি বর্মনও তাদের সাথেই ঢাকায় থাকেন এবং নাতনিকে দেখাশোনা করেন। গত মঙ্গলবার দাদির সঙ্গে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি বরান্তরে আসে অংকিত।

এদিন দুপুরে বাড়ির উঠানে খেলছিল শিশুটি। পরিবারের সদস্যরা তখন কাজের প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে ছিলেন এবং দাদিও পাশের একটি বাড়িতে গিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে নাতনিকে দেখতে না পেয়ে খুঁজতে শুরু করেন দাদি। একপর্যায়ে বাড়ির পাশেই তার বাবার মামাতো ভাই সুকুমার বর্মনের ঘরের বিছানায় অংকিতের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান তিনি।

স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বরান্তর বাজারে এবং পরে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক অংকিতকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নিহত অংকিতের চাচা সোহাগ বর্মন বলেন, ‘এই ঘটনায় স্তম্ভিত। বাড়ির পাশেই কাজ করছিলাম। মা (দাদিঅংকিতকে রেখে একটু পাশের বাড়িতে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে সুকুমার বর্মনের ঘরে ওর গলাকাটা লাশ পাওয়া যায়। এই নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’

মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিমোহাফিজুল ইসলাম হারুন জানানখবর পেয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য রওনা হয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দ্রুত ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

Tag :
জনপ্রিয়

নারী সহকর্মীর সঙ্গে যৌন অসদাচরণ, মার্কিন গবেষণাগার ছাড়ছেন বিশ্বখ্যাত ভারতীয় বিজ্ঞানী

মোহনগঞ্জে ৩ বছরের শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

Update Time : ০১:১৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় অংকিত বর্মন নামে তিন বছর বয়সী এক শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চবিকেল আড়াইটার দিকে উপজেলার বরান্তর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত অংকিত বর্মন ওই গ্রামের সাগর বর্মনের ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছেঅংকিতের বাবা সাগর বর্মন সপরিবারে ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত। শিশুটির দাদি বিশু রানি বর্মনও তাদের সাথেই ঢাকায় থাকেন এবং নাতনিকে দেখাশোনা করেন। গত মঙ্গলবার দাদির সঙ্গে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি বরান্তরে আসে অংকিত।

এদিন দুপুরে বাড়ির উঠানে খেলছিল শিশুটি। পরিবারের সদস্যরা তখন কাজের প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে ছিলেন এবং দাদিও পাশের একটি বাড়িতে গিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে নাতনিকে দেখতে না পেয়ে খুঁজতে শুরু করেন দাদি। একপর্যায়ে বাড়ির পাশেই তার বাবার মামাতো ভাই সুকুমার বর্মনের ঘরের বিছানায় অংকিতের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান তিনি।

স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বরান্তর বাজারে এবং পরে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক অংকিতকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নিহত অংকিতের চাচা সোহাগ বর্মন বলেন, ‘এই ঘটনায় স্তম্ভিত। বাড়ির পাশেই কাজ করছিলাম। মা (দাদিঅংকিতকে রেখে একটু পাশের বাড়িতে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে সুকুমার বর্মনের ঘরে ওর গলাকাটা লাশ পাওয়া যায়। এই নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’

মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিমোহাফিজুল ইসলাম হারুন জানানখবর পেয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য রওনা হয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দ্রুত ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’