০৯:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য: রংপুর-১ আসনে জামায়াত প্রার্থী রায়হান সিরাজী

  • Update Time : ০৩:১৫:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • 76

রংপুর-১ সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রায়হান সিরাজী বলেছেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান, কৃষকদের পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করবো।

আসনটি গঙ্গাচড়া উপজেলা ও রংপুর সিটি করপোরেশনের ১ থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। আসনটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রায়হান সিরাজী লড়ছেন দলের দাঁড়ি পাল্লা প্রতীকে। নির্বাচিত হলে তিনি গঙ্গাচড়া উপজেলাকে মানবিক, ইনসাফভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি মামুন রশিদ।

বাসস : আপনার এলাকার ভোটারদের জন্য আপনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি কী?

রায়হান সিরাজী :  গঙ্গাচড়ার মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাই আমার মূল লক্ষ্য। শিক্ষার মানোন্নয়ন, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান, কৃষকদের পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা এবং স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া আমার অগ্রাধিকার। আমি চাই, গঙ্গাচড়া হোক মডেল উপজেলা।

বাসস : নির্বাচনী আচরণবিধি পালনে নেতা-কর্মীদের প্রতি আপনার নির্দেশনা কী?

রায়হান সিরাজী: আমি স্পষ্টভাবে বলেছি—নির্বাচনী আইন ও আচরণবিধির প্রশ্নে কোনো ছাড় নেই। শান্তিপূর্ণ প্রচার, শৃঙ্খলা ও আইন মেনে চলাই আমাদের রাজনীতির সৌন্দর্য। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা আইনবিরোধী কাজে জড়ানোর সুযোগ নেই। প্রতিটি নেতাকর্মীকে শালীনতা ও ধৈর্যের সঙ্গে প্রচার চালাতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বাসস : জুলাই সনদ বিষয়ক গণভোট নিয়ে আপনার অবস্থান কী?

রায়হান সিরাজী : গণভোটই গণতন্ত্রের মূল শক্তি। এ বিষয়ে দল যেভাবে বলবে আমরা সেভাবেই আগাবো। আমি ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাই।

বাসস : আসন্ন সংসদ নির্বাচন নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?

রায়হান সিরাজী: ভোটাধিকার মানুষের সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার যেন কেউ কেড়ে নিতে না পারে—এটাই আমাদের চাওয়া। প্রত্যাশা করি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে জনগণের রায়ই চূড়ান্ত হবে। জনগণ যে রায় দেবে, সেটিই যেন প্রতিফলিত হয়—এটাই আমার একমাত্র প্রত্যাশা।

রংপুর-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭১ হাজার ৯৭০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৬ হাজার ৩৩৭ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬২৯ জন, তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২ জন। এছাড়া পোস্টাল ভোটার রয়েছেন ৩ হাজার ২৪৫ জন। আসনটিতে মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৩৯টি।

আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অন্য প্রার্থীরা হলেন, জাতীয় পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলী (লাঙ্গল), বিএনপির প্রার্থী মোকাররম হোসেন সুজন (ধানের শীষ), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) আহসানুল আরেফিন (কাঁচি), ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. আনাস (চেয়ার) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এটিএম গোলাম মোস্তফা (হাতপাখা)।

Tag :
জনপ্রিয়

নারী সহকর্মীর সঙ্গে যৌন অসদাচরণ, মার্কিন গবেষণাগার ছাড়ছেন বিশ্বখ্যাত ভারতীয় বিজ্ঞানী

মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য: রংপুর-১ আসনে জামায়াত প্রার্থী রায়হান সিরাজী

Update Time : ০৩:১৫:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

রংপুর-১ সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রায়হান সিরাজী বলেছেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান, কৃষকদের পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করবো।

আসনটি গঙ্গাচড়া উপজেলা ও রংপুর সিটি করপোরেশনের ১ থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। আসনটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রায়হান সিরাজী লড়ছেন দলের দাঁড়ি পাল্লা প্রতীকে। নির্বাচিত হলে তিনি গঙ্গাচড়া উপজেলাকে মানবিক, ইনসাফভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি মামুন রশিদ।

বাসস : আপনার এলাকার ভোটারদের জন্য আপনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি কী?

রায়হান সিরাজী :  গঙ্গাচড়ার মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাই আমার মূল লক্ষ্য। শিক্ষার মানোন্নয়ন, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান, কৃষকদের পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা এবং স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া আমার অগ্রাধিকার। আমি চাই, গঙ্গাচড়া হোক মডেল উপজেলা।

বাসস : নির্বাচনী আচরণবিধি পালনে নেতা-কর্মীদের প্রতি আপনার নির্দেশনা কী?

রায়হান সিরাজী: আমি স্পষ্টভাবে বলেছি—নির্বাচনী আইন ও আচরণবিধির প্রশ্নে কোনো ছাড় নেই। শান্তিপূর্ণ প্রচার, শৃঙ্খলা ও আইন মেনে চলাই আমাদের রাজনীতির সৌন্দর্য। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা আইনবিরোধী কাজে জড়ানোর সুযোগ নেই। প্রতিটি নেতাকর্মীকে শালীনতা ও ধৈর্যের সঙ্গে প্রচার চালাতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বাসস : জুলাই সনদ বিষয়ক গণভোট নিয়ে আপনার অবস্থান কী?

রায়হান সিরাজী : গণভোটই গণতন্ত্রের মূল শক্তি। এ বিষয়ে দল যেভাবে বলবে আমরা সেভাবেই আগাবো। আমি ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাই।

বাসস : আসন্ন সংসদ নির্বাচন নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?

রায়হান সিরাজী: ভোটাধিকার মানুষের সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার যেন কেউ কেড়ে নিতে না পারে—এটাই আমাদের চাওয়া। প্রত্যাশা করি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে জনগণের রায়ই চূড়ান্ত হবে। জনগণ যে রায় দেবে, সেটিই যেন প্রতিফলিত হয়—এটাই আমার একমাত্র প্রত্যাশা।

রংপুর-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭১ হাজার ৯৭০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৬ হাজার ৩৩৭ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬২৯ জন, তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২ জন। এছাড়া পোস্টাল ভোটার রয়েছেন ৩ হাজার ২৪৫ জন। আসনটিতে মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৩৯টি।

আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অন্য প্রার্থীরা হলেন, জাতীয় পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলী (লাঙ্গল), বিএনপির প্রার্থী মোকাররম হোসেন সুজন (ধানের শীষ), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) আহসানুল আরেফিন (কাঁচি), ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. আনাস (চেয়ার) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এটিএম গোলাম মোস্তফা (হাতপাখা)।