ঠিক এই কারণেই তো হোয়ান গার্সিয়াকে দলে টেনেছিল বার্সেলোনা। শেষ কয়েক বছরে বার্সেলোনার গোলমুখে শট মানেই গোল, এমন অভিযোগ তুলেছিলেন সাবেক ডিফেন্ডার জেরার্ড পিকে। সে পরিস্থিতিটা বদলাতেই কাতালানরা গার্সিয়াকে দলে নিয়েছিল গেল গ্রীষ্মে। নিজের সাবেক দল এস্পানিয়লের বিপক্ষে সেই আস্থারই প্রতিদান দিলেন তিনি। তার অবিশ্বাস্য সব সেভই বার্সাকে রেখেছে ম্যাচে। এস্পানিওলের মাঠে শেষ মুহূর্তের দুই গোলে ২-০ ব্যবধানে জিতেছে তার দল।
শনিবার রাতের এই জয়ে লা লিগার শীর্ষে তারা সাত পয়েন্টে এগিয়ে গেল। ডার্বি ম্যাচে বেশিরভাগ সময় চাপে ছিল বার্সা। কিন্তু গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়া দলকে বাঁচিয়ে রাখেন। পরে বদলি নামা দানি অলমো ও রবার্ট লেভানডোভস্কি ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেন।
ম্যাচের ৮৬তম মিনিটে ফেরমিন লোপেজের পাসে বাঁকানো শটে গোল করেন অলমো। এরপর ৯০তম মিনিটে লোপেজের আরেকটি সহায়তায় গোল করেন লেভানডোভস্কি। টানা নবম লিগ ম্যাচ জিতল বার্সেলোনা। এস্পানিওলের টানা পাঁচ ম্যাচ জয়ের ধারাও থেমে গেল।
পুরো ম্যাচে এস্পানিওল বেশ কয়েকবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। প্রথমার্ধে রোবের্তো ফার্নান্দেজ একা গোলরক্ষকের সামনে গেলেও গার্সিয়া ঠেকিয়ে দেন। পরে পেরে মিয়ার হেডও দারুণভাবে বাঁচান তিনি। দ্বিতীয়ার্ধেও গার্সিয়া একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন।
গার্সিয়ার সাবেক ক্লাব হওয়ায় এস্পানিওল সমর্থকদের রোষের মুখে পড়েন তিনি। গ্যালারি থেকে শিস আর ব্যানার ছিল। তবুও তিনি মনোযোগ হারাননি। ম্যাচে গোল করে বার্সাকে এগিয়ে দেওয়া অলমো ম্যাচ শেষে বলেন, ‘হোয়ান অবিশ্বাস্য, সে একজন দারুণ গোলরক্ষক। পুরোনো সমর্থকদের সামনে সে অসাধারণ খেলেছে এবং ক্লিন শিট রেখেছে। সে আমাদের অনেক কিছু দেবে। এখন দিচ্ছে, ভবিষ্যতেও দেবে বলে আমি নিশ্চিত।’
ফ্লিক বলেন, ‘প্রথম ৮০ মিনিট আমরা যেভাবে খেলেছি, তা উদযাপন করার মতো নয়।’
তিনি যোগ করেন, ‘কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা দুই গোল করেছি। তিন পয়েন্ট পেয়েছি। এটা লা লিগার জন্য বড় বার্তা।’
এই জয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের ওপর চাপ বাড়াল বার্সেলোনা। রিয়াল রোববার রিয়াল বেতিসের মুখোমুখি হবে।


























