বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ডায়রিয়া ও শিশু ওয়ার্ডে প্রায় ১৫৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু কনসালটেন্ট ডাক্তার মাহবুবুর রহমান মিলন জানান, তিন থেকে চার দিন ধরে জেলায় শীতের তীব্রতা বাড়ায় শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, ঠান্ডা, শ্বাসকষ্ট, ব্রংকাইটিসসহ বিভিন্ন রোগ বেশি দেখা যাচ্ছে। শিশু ওয়ার্ডে ১৫ শয্যার বিপরীতে বর্তমানে ৭৩ জন শিশু ভর্তি রয়েছে, যা শয্যার তুলনায় প্রায় চার গুণ বেশি। এতে চিকিৎসক, নার্স ও দায়িত্বরতদের রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ডায়রিয়া ও শিশু ওয়ার্ডে প্রায় ১৫৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন আছেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু কনসালটেন্ট ডাক্তার মাহবুবুর রহমান মিলন জানান, তিন থেকে চার দিন ধরে জেলায় শীতের তীব্রতা বাড়ায় শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, ঠান্ডা, শ্বাসকষ্ট, ব্রংকাইটিসসহ বিভিন্ন রোগ বেশি দেখা যাচ্ছে। শিশু ওয়ার্ডে ১৫ শয্যার বিপরীতে বর্তমানে ৭৩ জন শিশু ভর্তি রয়েছে, যা শয্যার তুলনায় প্রায় চার গুণ বেশি। এতে চিকিৎসক, নার্স ও দায়িত্বরতদের রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।