০৪:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় স্বামীর চিকিৎসার জন্য সন্তান বিক্রি: সন্তান বিক্রি করার টাকা পায়নি ভুক্তভোগী

  • Update Time : ১০:২৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • 68

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দর্শনা থানাধীন আকন্দবাড়িয়া আবাসন এলাকায় ইসমাতারা টাকার অভাবে স্বামীর চিকিৎসা করতে না পেরে অবশেষে এক ঘন্টার নবজাত শিশুকে দর্শন পৌরসভার পরানপুর গ্রামের ফারুকের কাছে ৫০ হাজার বিক্রি করে দিয়েছেন। গত ২৮ অক্টোবর বিকালের দর্শনা এক স্থানীয় ক্লিনিকে কন্যা সন্তান প্রসবের পর এই ঘটনা ঘটে। সন্তান বিক্রেতা ইসমাত তারা উপজেলার আকন্দবাড়িয়া আবাসন এলাকার মিকাইলের স্ত্রী। সন্তান বিক্রি করা টাকা ফারুকের কাছ থেকে না পেয়ে অবশেষে দীর্ঘ ১২ দিন পর ভুক্তভোগী ইসমা তারা আজ সোমবার (১০ নভেম্বর) স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের জানালে, সন্তান বিক্রি করার ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এক চঞ্চলতা সৃষ্টি হয়।।
ভুক্তভোগী ইসমাত তারা জানান, গত ২৮ অক্টোবর সকালের বাচ্চা প্রসবের বেগ পায় ইসমাত আরা। এরপর সে দর্শনা এক স্থানীয় ক্লিনিকে আসে এবং ঘটনাটি বলে। ক্লিনিকের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে বলে সিজার করতে হবে। টাকা না থাকায় সিজার না করে ফিরে আসে দর্শনা বাসস্ট্যান্ডে। ওখানে পরানপুর গ্রামের ফারুকের সাথে যোগাযোগ হলে বাচ্চা বিক্রি করার সম্মতি দেয় ভুক্তভোগী। ফারুক সিজারে টাকা ও স্বামী চিকিৎসার জন্য নগদ ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। এরপর বিকালে ক্লিনিকে সন্তান প্রসব করার পর ফারুক টাকা দেওয়ার কথা বলে সন্তানটি নিয়ে যায়। টাকার জন্য ফারুকের কাছে যেয়ে টাকা না পেয়ে অবশেষে দীর্ঘ ১২ দিন পর আজ সোমবার সন্তান ফেরত চেয়ে গণমাধ্যম কর্মীদেরকে জানান।
ফারুকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
দর্শনা থানার (ওসি) তদন্ত মোঃ সুলতান মাহমুদ জানান, ঘটনাটি আমার জানা নেই। অভিযোগ এলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় স্বামীর চিকিৎসার জন্য সন্তান বিক্রি: সন্তান বিক্রি করার টাকা পায়নি ভুক্তভোগী

Update Time : ১০:২৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দর্শনা থানাধীন আকন্দবাড়িয়া আবাসন এলাকায় ইসমাতারা টাকার অভাবে স্বামীর চিকিৎসা করতে না পেরে অবশেষে এক ঘন্টার নবজাত শিশুকে দর্শন পৌরসভার পরানপুর গ্রামের ফারুকের কাছে ৫০ হাজার বিক্রি করে দিয়েছেন। গত ২৮ অক্টোবর বিকালের দর্শনা এক স্থানীয় ক্লিনিকে কন্যা সন্তান প্রসবের পর এই ঘটনা ঘটে। সন্তান বিক্রেতা ইসমাত তারা উপজেলার আকন্দবাড়িয়া আবাসন এলাকার মিকাইলের স্ত্রী। সন্তান বিক্রি করা টাকা ফারুকের কাছ থেকে না পেয়ে অবশেষে দীর্ঘ ১২ দিন পর ভুক্তভোগী ইসমা তারা আজ সোমবার (১০ নভেম্বর) স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের জানালে, সন্তান বিক্রি করার ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এক চঞ্চলতা সৃষ্টি হয়।।
ভুক্তভোগী ইসমাত তারা জানান, গত ২৮ অক্টোবর সকালের বাচ্চা প্রসবের বেগ পায় ইসমাত আরা। এরপর সে দর্শনা এক স্থানীয় ক্লিনিকে আসে এবং ঘটনাটি বলে। ক্লিনিকের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে বলে সিজার করতে হবে। টাকা না থাকায় সিজার না করে ফিরে আসে দর্শনা বাসস্ট্যান্ডে। ওখানে পরানপুর গ্রামের ফারুকের সাথে যোগাযোগ হলে বাচ্চা বিক্রি করার সম্মতি দেয় ভুক্তভোগী। ফারুক সিজারে টাকা ও স্বামী চিকিৎসার জন্য নগদ ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। এরপর বিকালে ক্লিনিকে সন্তান প্রসব করার পর ফারুক টাকা দেওয়ার কথা বলে সন্তানটি নিয়ে যায়। টাকার জন্য ফারুকের কাছে যেয়ে টাকা না পেয়ে অবশেষে দীর্ঘ ১২ দিন পর আজ সোমবার সন্তান ফেরত চেয়ে গণমাধ্যম কর্মীদেরকে জানান।
ফারুকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
দর্শনা থানার (ওসি) তদন্ত মোঃ সুলতান মাহমুদ জানান, ঘটনাটি আমার জানা নেই। অভিযোগ এলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।