চুয়াডাঙ্গায় মেধা, যোগ্যতা এবং স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে ১৬ জন তরুণ-তরুণী নিয়োগ পেয়েছেন।
বুধবার ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেডে নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি খন্দকার গোলাম মওলা, বিপিএম-সেবা, চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন। নিজ মেধা ও যোগ্যতায় চাকরি পেয়ে নির্বাচিত তরুণ-তরুণীরা অত্যন্ত আনন্দিত।
নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর আগে থেকেই জেলা পুলিশ, চুয়াডাঙ্গার পক্ষ থেকে স্থানীয় ডিস চ্যানেল, পত্রিকা, মাইকিং এবং ফেসবুকে বারবার প্রচার করে চাকরি প্রত্যাশীদের দালাল ও প্রতারকদের থেকে দূরে থাকতে সচেতন করা হয়েছিল। নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও পুলিশ সুপার, খন্দকার গোলাম মওলা, বিপিএম-সেবা, নিজেই প্রার্থীদের এই বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছিলেন।
গত ১৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখে নিয়োগের প্রথম ধাপ শুরু হয়। এতে শারীরিক মাপ, শারীরিক সক্ষমতা, কাগজপত্র যাচাই-বাছাই এবং অন্যান্য পরীক্ষা শেষে মোট ২৮৪ জন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান। এরপর ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে পুলিশ লাইন্সে লিখিত পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে মোট ৫০ জন প্রার্থী—৪৬ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী—লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এই প্রার্থীরা এরপর মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন। নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে ১৪ জন পুরুষ ও ২ জন নারী প্রার্থী চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন। নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি নির্বাচিত ১৬ জনকে অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশ পুলিশে স্বাগত জানান।
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলা জানান সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে এবং এতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়নি। এই নিয়োগে প্রতিটি প্রার্থীর সরকারি ফি বাবদ খরচ হয়েছে মাত্র ১২০ টাকা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল, যশোর) মোঃ আহসান হাবীব এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল, মেহেরপুর) আবদুল করিমসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মোঃ আব্দুল্লাহ হক 





















