হাফিজুর রহমান : দামুড়হুদার জয়রামপুর গ্রামের প্রতিবন্ধী বিলাল হোসেন স্বামীর সংসারে অনন্ত অপেক্ষায় সংগ্রামী পারভীন খাতুনের জীবন। দামুড়হুদা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ৫ হাজার টাকার একটু বেশি দিয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী দিয়ে তার দোকান সাজিয়ে দিলেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান।
আজ শনিবার বিকাল ৪ টার সময় দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান বলেন
লকডাউনের ৪র্থ দিন….কিন্তুু প্রতিবন্ধী স্বামীর সংসারে অনন্ত অপেক্ষায় সংগ্রামী পারভীনার যাপিত জীবন।
আজ লকডাউনের চতুর্থ দিন। কিন্তু, গৃহবন্দী কর্মহীন মানুষের জন্য অনন্ত মহাকালস্বরূপ।।।।জয়রামপুর গ্রামের গৃহিনী পারভীনার বাস্তবতা যেন তারই প্রতিফলন। প্রতিবন্ধী স্বামীর সংসার, বৃদ্ধ শ্বশুর শাশুড়ী আর ছেলে….এতগুলো মানুষের অন্নের সংস্থান করতে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করতে হচ্ছে তাকে। এরমধ্যে কঠোর লকডাউন। তার করুণ মিনতি যদি তার প্রায় বন্ধ মুদি দোকানের খাদ্য দ্রব্য কেউ কিনে দিত তবে সে আবার তার ভাগ্যের চাকা সচল করার চেষ্টা করতে পারতো।
তার মনের ইচ্ছা পূরণ করা হলো। আজ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী দিয়ে তার দোকান সাজিয়ে দেওয়া হলো। হয়তো এটা খুব ক্ষুদ্র প্রয়াস। তবুও আমরা আশাবাদী ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোগের মধ্য দিয়েই সমাজের বৃহৎ পরিবর্তন হবে একদিন।
করোনার বিভীষিকা কেটে যাবে একদিন। মানুষ তার স্বাভাবিক কর্মজীবনে আবার ফিরে আসবে। হাজারো পারভীনার জীবন আলোয় আলোকিত হয়ে উঠবে। নিরাপদ, সুস্হ, সোনালী ভোরের প্রত্যাশায়…..
























