০২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় শীতের আগমন: কার্তিকের শেষে তাপমাত্রা ১৫.৮° সেলসিয়াস।

  • Update Time : ১১:৫১:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • 88

মোঃ আব্দুল্লাহ হক চুয়াডাঙ্গা:
কার্তিক মাসের শেষ লগ্নে এসে চুয়াডাঙ্গায় একটু একটু করে বাড়তে শুরু করেছে শীতের তীব্রতা। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা ঠান্ডা বাতাসের কারণে দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫.৮° ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আদ্রতা ছিল ৮৩% ,
শীতের আগমনে প্রকৃতির দৃশ্যও বদলে যেতে শুরু করেছে। ভোরবেলা চারদিক কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে। সাত সকালে ফসলের মাঠ ও ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশির বিন্দু জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় সকাল ও রাতে বেশ ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। এর ফলে, সকাল ও সন্ধ্যায় ঘর থেকে বের হওয়া মানুষজন ইতোমধ্যে গরম কাপড় ব্যবহার করা শুরু করেছেন।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা ঠান্ডা বাতাসের কারণেই তাপমাত্রা দ্রুত কমছে। তিনি আরও বলেন, রাতের তাপমাত্রা হ্রাস অব্যাহত থাকবে এবং আগামী কয়েক দিনে রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে। তার পূর্বাভাস অনুযায়ী, নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। উল্লেখ্য, চুয়াডাঙ্গায় শীতের সময় শীত বেশি এবং গরমের সময় গরম বেশি লক্ষ্য করা যায়।
শুরুতেই এই অপ্রত্যাশিত শীতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষজন। শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে তাদের দৈনন্দিন জীবনে কষ্ট আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জনপ্রিয়

চুয়াডাঙ্গায় শীতের আগমন: কার্তিকের শেষে তাপমাত্রা ১৫.৮° সেলসিয়াস।

Update Time : ১১:৫১:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

মোঃ আব্দুল্লাহ হক চুয়াডাঙ্গা:
কার্তিক মাসের শেষ লগ্নে এসে চুয়াডাঙ্গায় একটু একটু করে বাড়তে শুরু করেছে শীতের তীব্রতা। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা ঠান্ডা বাতাসের কারণে দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫.৮° ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আদ্রতা ছিল ৮৩% ,
শীতের আগমনে প্রকৃতির দৃশ্যও বদলে যেতে শুরু করেছে। ভোরবেলা চারদিক কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে। সাত সকালে ফসলের মাঠ ও ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশির বিন্দু জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় সকাল ও রাতে বেশ ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। এর ফলে, সকাল ও সন্ধ্যায় ঘর থেকে বের হওয়া মানুষজন ইতোমধ্যে গরম কাপড় ব্যবহার করা শুরু করেছেন।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা ঠান্ডা বাতাসের কারণেই তাপমাত্রা দ্রুত কমছে। তিনি আরও বলেন, রাতের তাপমাত্রা হ্রাস অব্যাহত থাকবে এবং আগামী কয়েক দিনে রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে। তার পূর্বাভাস অনুযায়ী, নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। উল্লেখ্য, চুয়াডাঙ্গায় শীতের সময় শীত বেশি এবং গরমের সময় গরম বেশি লক্ষ্য করা যায়।
শুরুতেই এই অপ্রত্যাশিত শীতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষজন। শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে তাদের দৈনন্দিন জীবনে কষ্ট আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।