০১:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দর্শনার কড়ুলগাছি মারধরের স্থানে না থেকেও ‘মিথ্যা মামলার ‘আসামি

  • Update Time : ১১:৫৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০২৩
  • ৩৭ Time View

 

শিমুল রেজা:
দামুড়হুদার কুড়ালগাছি ইলেকট্রনিক ব্যবসায়ী রিপন হোসেনের দোকান ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ। এরপর তারা উল্টো মিথ্যা কল্পানিক মারধর দেখিয়ে একটি মিথ্যা মামলা করেন। মারামারির ঘটনাস্থলে না থেকেও মামলার আসামি হতে হয়েছে। অযথা হয়রানির শিকার হয়ে কুড়ুলগাছি গ্রামের মৃত নাসির উদ্দিনের ছেলে জাকির হোসেন, কুলগাছি বাজারপাড়া মতলেব হোসেন এর ছেলে রানা ও কুড়লগাছি মাঠপাড়া’র বাবর আলী কে পূর্ব শত্রুতার জেরে স্থানীয় একটি কুচক্রী মহল বিভিন্ন সময়ে মিথ্যা অভিযোগে মামলা দিয়ে হয়রানি করাচ্ছে। ইলেকট্রিক ব্যবসায়ী রিপন হোসেনকে, প্রধান আসামি করে ৯ জনের বিরুদ্ধে দর্শনা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মারামারির ঘটনায় মামলায় ৬ নং,৭নং, ৮নং তিনজনকে শত্রুতা মিটাতে আসামি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) দর্শনা থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ফেরদৌস ওয়াহিদ মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানান ও মামলা তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শামীম রেজা, সাংবাদিককে বলেন ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকলে কাউকেই অযথা হয়রানি করা হবে না।

স্থানীয়রা জানায়, গত ৫ শে জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে কুড়ুলগাছি বাজার ইলেকট্রনিক ব্যবসায়ী রিপন হোসেনের দোকানে মিজানুর রহমান ও আব্দুর রাজ্জাকের গ্যাং পার্টি গাছের লাঠি ও লোহা রোড সহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রিপন হোসেনের দোকান সামনে পাকা রাস্তার উপর অবস্থান করে। এ সময় মিজানুর রহমান ও আব্দুর রাজ্জাক সহ সাত আট জন রিপন হোসেনের দোকানে ঢুকি মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকে। এতে রিপন হোসেন মাটিতে লুটিয়ে পরলে স্থানীয়রা দৌড়ে গেলে মিজানুর রহমান ও আব্দুর রাজ্জাক সহ তাদের গ্যাং দ্রুত ঘটনা স্থান ত্যাগ করে চলে যাই।

এর পরে মৃত মকছেদ আলীর আব্দুর রাজ্জাক ফিলিম স্টাইলে শরীরের বিভিন্ন স্থান ব্লেড দিয়ে কেটে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি হয়। পরে এ ঘটনায় তারা উল্টো মিথ্যা মামলা করেন। যেখানে ঘটনাস্থলে না থেকেও ৬ নং রানা, ৭ নং জাকির হোসেন, ৮ নং বাবুর আলী কে আসামি করে নয় জনের বিরুদ্ধে দর্শনা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এই মিথ্যা মামলায় আসামী করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে এলাকাবাসী সহ সচেতন মহল। রানা, জাকির হোসেন, বাবর আলী,বলেন,বাদী মিজানুর রহমান কি কারণে আমাদেরকে আসামী করেছে আমার জানা নেই। তাছাড়াও বিষয়টি তদন্ত করা হলে তার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে। সুষ্ঠু তদন্তের জন্য কঠোর জিজ্ঞাসাবাদের দাবী জানিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার আব্দুল আল্ মামুনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছি।

Tag :
জনপ্রিয়

নীলমনিগনজ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এস এস সি ৯৭ ব্যাচের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

দর্শনার কড়ুলগাছি মারধরের স্থানে না থেকেও ‘মিথ্যা মামলার ‘আসামি

Update Time : ১১:৫৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০২৩

 

শিমুল রেজা:
দামুড়হুদার কুড়ালগাছি ইলেকট্রনিক ব্যবসায়ী রিপন হোসেনের দোকান ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ। এরপর তারা উল্টো মিথ্যা কল্পানিক মারধর দেখিয়ে একটি মিথ্যা মামলা করেন। মারামারির ঘটনাস্থলে না থেকেও মামলার আসামি হতে হয়েছে। অযথা হয়রানির শিকার হয়ে কুড়ুলগাছি গ্রামের মৃত নাসির উদ্দিনের ছেলে জাকির হোসেন, কুলগাছি বাজারপাড়া মতলেব হোসেন এর ছেলে রানা ও কুড়লগাছি মাঠপাড়া’র বাবর আলী কে পূর্ব শত্রুতার জেরে স্থানীয় একটি কুচক্রী মহল বিভিন্ন সময়ে মিথ্যা অভিযোগে মামলা দিয়ে হয়রানি করাচ্ছে। ইলেকট্রিক ব্যবসায়ী রিপন হোসেনকে, প্রধান আসামি করে ৯ জনের বিরুদ্ধে দর্শনা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মারামারির ঘটনায় মামলায় ৬ নং,৭নং, ৮নং তিনজনকে শত্রুতা মিটাতে আসামি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) দর্শনা থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ফেরদৌস ওয়াহিদ মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানান ও মামলা তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শামীম রেজা, সাংবাদিককে বলেন ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকলে কাউকেই অযথা হয়রানি করা হবে না।

স্থানীয়রা জানায়, গত ৫ শে জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে কুড়ুলগাছি বাজার ইলেকট্রনিক ব্যবসায়ী রিপন হোসেনের দোকানে মিজানুর রহমান ও আব্দুর রাজ্জাকের গ্যাং পার্টি গাছের লাঠি ও লোহা রোড সহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রিপন হোসেনের দোকান সামনে পাকা রাস্তার উপর অবস্থান করে। এ সময় মিজানুর রহমান ও আব্দুর রাজ্জাক সহ সাত আট জন রিপন হোসেনের দোকানে ঢুকি মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকে। এতে রিপন হোসেন মাটিতে লুটিয়ে পরলে স্থানীয়রা দৌড়ে গেলে মিজানুর রহমান ও আব্দুর রাজ্জাক সহ তাদের গ্যাং দ্রুত ঘটনা স্থান ত্যাগ করে চলে যাই।

এর পরে মৃত মকছেদ আলীর আব্দুর রাজ্জাক ফিলিম স্টাইলে শরীরের বিভিন্ন স্থান ব্লেড দিয়ে কেটে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি হয়। পরে এ ঘটনায় তারা উল্টো মিথ্যা মামলা করেন। যেখানে ঘটনাস্থলে না থেকেও ৬ নং রানা, ৭ নং জাকির হোসেন, ৮ নং বাবুর আলী কে আসামি করে নয় জনের বিরুদ্ধে দর্শনা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এই মিথ্যা মামলায় আসামী করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে এলাকাবাসী সহ সচেতন মহল। রানা, জাকির হোসেন, বাবর আলী,বলেন,বাদী মিজানুর রহমান কি কারণে আমাদেরকে আসামী করেছে আমার জানা নেই। তাছাড়াও বিষয়টি তদন্ত করা হলে তার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে। সুষ্ঠু তদন্তের জন্য কঠোর জিজ্ঞাসাবাদের দাবী জানিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার আব্দুল আল্ মামুনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছি।