০৩:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল করিম বিশ্বাস

  • Update Time : ০৩:০৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ এপ্রিল ২০২৩
  • ৫৬ Time View

 

 

শিমুল রেজাঃ
পদ-পদবী ছাড়াও সমাজে মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করা যায় সেজন্য দল বা রাজনৈতিক পরিচয় লাগেনা। কথায় আছে মানব সেবাই পরম ধর্ম। সেই ধর্মই পালন করে সমাজে কেউ কেউ মানুষের হৃদয় নিঙ্গরানো ভালোবাসা পেয়ে এগিয়ে যায়। মানব সেবার চেতনাকে হৃদয়ে লালন করেই মানবতার কল্যাণে ঝাঁপিয়ে পড়ে মহৎ হৃদয়ের মানুষগুলি। ঠিক তেমনই একজন সহজ সরল সংগ্রামী গরীব দুখি মেহনতি মানুষের হৃদয়ের মধ্যমনি আব্দুল করিম বিশ্বাস। তিনি দামুড়হুদা উপজেলার ৮নং কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি একজন ক্লিন ইমেজের মিষ্টভাষী, পরোপকারী, সাধারণ জনগণের আস্থার প্রতীক, তারুণ্যের অহংকার, সুযোগ্য নেতৃত্বের অধিকারী।

বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল করিম বিশ্বাস গ্রামবাসীর জন্য করে ৩০ লক্ষ টাকা জমি দান করেন এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসুল্লীগণ চেয়ারম্যান আব্দুল করিম বিশ্বাস এর সুস্থতা মঙ্গলের জন্য দোয়া করেন। কিভাবে জনকল্যাণে কাজ করা যায় এই বাসনা নিয়ে তিনি ২০২১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন এবং জনভোটে ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নির্বাচিত হয়েই গত এক বছরে এলাকার কাঁচা রাস্তা, পাকা রাস্তা, কাঠের ব্রিজ, কালভার্ট ড্রেন সংস্কারসহ প্রায় অর্ধ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন করেছেন। রাস্তায় চলাচলের স্বাধীনতা, বিচার ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবায় বিশেষ অবদান, সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে নিজের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। ইউনিয়নের আলোকিত মুখ হিসেবে পরিচিত, নিজের সাফল্যের কারণে বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক নানা ভাবে প্রশংসিতও হয়েছেন। অসংখ্য মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল ও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের দাতা। ব্যক্তি জীবনে তিনি অত্যন্ত নম্র, ভদ্র, সদাহাস্যোজ্জ্বল ও সাদা মনের মানুষ। তাঁর মাঝে কোন অহংকার নেই। ছোট বড় সকলের বন্ধু, দলমত নির্বিশেষে আজ সকলের কাছে প্রিয়। এলাকাবাসী জানান, তিনি একজন উদার মনের মানুষ তিনি করোনা কালীন সময়ে অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের মাঝে চাল-ডাল ওষুধসহ নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক দ্রব্য বিতরণ করেছেন। এছাড়াও তিনি নিজে শ্রমিক হয়ে দরিদ্র কৃষকদের সাথে মাঠের ফসল কেটে ঘরে তুলে দিয়েছেন। দরিদ্র মানুষের উপার্জনের কোনো উপায় না থাকায় তিনি কয়েকজনকে ভ্যান গাড়ি কিনে দিয়েছেন।

Tag :
জনপ্রিয়

কৃতি শিক্ষার্থীর কৃতিত্বে কার্পাসডাঙ্গার ইউপি চেয়ারম্যান এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও উপহার প্রদান

মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল করিম বিশ্বাস

Update Time : ০৩:০৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ এপ্রিল ২০২৩

 

 

শিমুল রেজাঃ
পদ-পদবী ছাড়াও সমাজে মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করা যায় সেজন্য দল বা রাজনৈতিক পরিচয় লাগেনা। কথায় আছে মানব সেবাই পরম ধর্ম। সেই ধর্মই পালন করে সমাজে কেউ কেউ মানুষের হৃদয় নিঙ্গরানো ভালোবাসা পেয়ে এগিয়ে যায়। মানব সেবার চেতনাকে হৃদয়ে লালন করেই মানবতার কল্যাণে ঝাঁপিয়ে পড়ে মহৎ হৃদয়ের মানুষগুলি। ঠিক তেমনই একজন সহজ সরল সংগ্রামী গরীব দুখি মেহনতি মানুষের হৃদয়ের মধ্যমনি আব্দুল করিম বিশ্বাস। তিনি দামুড়হুদা উপজেলার ৮নং কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি একজন ক্লিন ইমেজের মিষ্টভাষী, পরোপকারী, সাধারণ জনগণের আস্থার প্রতীক, তারুণ্যের অহংকার, সুযোগ্য নেতৃত্বের অধিকারী।

বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল করিম বিশ্বাস গ্রামবাসীর জন্য করে ৩০ লক্ষ টাকা জমি দান করেন এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসুল্লীগণ চেয়ারম্যান আব্দুল করিম বিশ্বাস এর সুস্থতা মঙ্গলের জন্য দোয়া করেন। কিভাবে জনকল্যাণে কাজ করা যায় এই বাসনা নিয়ে তিনি ২০২১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন এবং জনভোটে ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নির্বাচিত হয়েই গত এক বছরে এলাকার কাঁচা রাস্তা, পাকা রাস্তা, কাঠের ব্রিজ, কালভার্ট ড্রেন সংস্কারসহ প্রায় অর্ধ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন করেছেন। রাস্তায় চলাচলের স্বাধীনতা, বিচার ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবায় বিশেষ অবদান, সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে নিজের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। ইউনিয়নের আলোকিত মুখ হিসেবে পরিচিত, নিজের সাফল্যের কারণে বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক নানা ভাবে প্রশংসিতও হয়েছেন। অসংখ্য মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল ও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের দাতা। ব্যক্তি জীবনে তিনি অত্যন্ত নম্র, ভদ্র, সদাহাস্যোজ্জ্বল ও সাদা মনের মানুষ। তাঁর মাঝে কোন অহংকার নেই। ছোট বড় সকলের বন্ধু, দলমত নির্বিশেষে আজ সকলের কাছে প্রিয়। এলাকাবাসী জানান, তিনি একজন উদার মনের মানুষ তিনি করোনা কালীন সময়ে অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের মাঝে চাল-ডাল ওষুধসহ নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক দ্রব্য বিতরণ করেছেন। এছাড়াও তিনি নিজে শ্রমিক হয়ে দরিদ্র কৃষকদের সাথে মাঠের ফসল কেটে ঘরে তুলে দিয়েছেন। দরিদ্র মানুষের উপার্জনের কোনো উপায় না থাকায় তিনি কয়েকজনকে ভ্যান গাড়ি কিনে দিয়েছেন।