০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ২১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

গাজীপুরে কমার্স কোচিং সেন্টারে মামার হাতে ভাগ্নি ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা

  • MD Abdulla Haq
  • Update Time : ০১:৩৫:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০
  • ২২ Time View

গাজীপুরে কমার্স কোচিং সেন্টারে মামার হাতে ভাগ্নি ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা

মোঃ এনামুল হক স্টাফ রিপোর্টার

গাজীপুর: কলেজে ভর্তির কথা বলে নিজের কোচিং সেন্টারে এনে সম্পর্কীয় ভাগ্নিকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ মেট্রো সদর থানায় মামলা। মামলার একমাত্র অভিযুক্ত কোচিং সেন্টারের মালিক গ্রেফতার হয়ে জেল খানায় আছে এবং এক দিনের রিমান্ডে থাকলেও কোন তথ্য দেয়নি অভিযুক্ত রাশেদুল। ঘটনার ৯ দিন পর মামলা রেকর্ড ও ২৬ দিনেও ডাক্তারী পরীক্ষার সনদ না আসায় মামলার ভবিষৎ নিয়ে জল্পনা কল্পনা চলছে। রহস্যজনক কারণে মিডিয়ার আঁড়ালে থাকায় স্পর্শকাতর ঘটনাটি ন্যায় বিচারের মুখ আদৌ দেখবে কি না, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পূবাইল ডিগ্রী কলেজে প্রথম বর্ষে ভর্তির পর রিকনফার্ম করার কথা বলে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়। গাজীপুর শহরের সরকারী মহিলা কলেজ সংলগ্ন কমার্স কোচিং সেন্টারের মালিক রাশেদুল ইসলাম জুয়েল ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ দুপুরে কলেজে যাওয়ার কথা বলে মেয়েটিকে কোচিং সেন্টারে আনে। অত:পর তাকে বেঁধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও করেন। এরপর মেয়েটি বাড়িতে গিয়ে পরিবারকে ঘটনা জানালে মেয়ের বাবা বাদী হয়ে গাজীপুর মেট্রো সদর থানায় এজাহার দেয়। ২৬ সেপ্টেম্বর মামলাটি রেকর্ড হয় (মামলা নং ৬৩) পুলিশ অভিযুক্ত রাশেদুল ইসলাম জুয়েলকে গ্রেফতার করে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক(এস আই) লুৎফর রহমান আজ বৃহসপতিবার দুপুর ২টা ১৯ মিনিটে ওসির ব্যবহৃত মোবাইলে কল দিলে ওসি এবং মামলার আইয়ো লুৎফর রহমানের সাথে কথা হলে তিনারা জানান, আসামী একদিনের রিমান্ডে ছিল। তবে জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত রাশেদুল ধর্ষণের কথা স্বীকার করেনি, তবে ছবি তুলে ডিলিট করে ফেলেছেন বলে জানান এসআই লুৎফর রহমান। একই সঙ্গে ভিকটিমের ডাক্তারী পরীক্ষার সনদ এখনো আসেনি বলো জানান এই তদন্ত কর্মকর্তা।

এদিকে স্পর্শকাতর ঘটনাটি মিডিয়ায় কেন ফলাও ভাবে আসল না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠে জনমনে। তবে গাজীপুর শহরে বসবাসরত ছাত্রলীগের সাবেক এক বড় নেতার বন্ধু পরিচয়ে আসামী জুয়েল বুক ফুলিয়ে চলাফেরা করতেন এবং রাশেদুলের বিরুদ্ধে আর এমন একাধিক ঘটনার কথা জানান সাধারণ মানুষ ।

সাধারণ মানুষের ধারণা, স্পর্শকাতর ঘটনার ৯ দিন পর মামলা ও ২৬ দিনেও ডাক্তারী পরীক্ষার সনদ না আসা ন্যায় বিচার প্রাপ্তীর বিষয়টি অনিশ্চয়তার ফেলে দেয়। একই সঙ্গে রিমান্ডে আসামীর নিকট থেকে কোন তথা না পাওয়া ও মিডিয়ার আঁড়ালে ঘটনার অবস্থান নানা ধরণের ঈঙ্গিত বহন করে।

Tag :
About Author Information

MD Abdulla Haq

চুয়াডাঙ্গায় প্রায় কোটি টাকার স্বর্ণসহ দর্শনার তাছলিমা আটক

গাজীপুরে কমার্স কোচিং সেন্টারে মামার হাতে ভাগ্নি ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা

Update Time : ০১:৩৫:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০

গাজীপুরে কমার্স কোচিং সেন্টারে মামার হাতে ভাগ্নি ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা

মোঃ এনামুল হক স্টাফ রিপোর্টার

গাজীপুর: কলেজে ভর্তির কথা বলে নিজের কোচিং সেন্টারে এনে সম্পর্কীয় ভাগ্নিকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ মেট্রো সদর থানায় মামলা। মামলার একমাত্র অভিযুক্ত কোচিং সেন্টারের মালিক গ্রেফতার হয়ে জেল খানায় আছে এবং এক দিনের রিমান্ডে থাকলেও কোন তথ্য দেয়নি অভিযুক্ত রাশেদুল। ঘটনার ৯ দিন পর মামলা রেকর্ড ও ২৬ দিনেও ডাক্তারী পরীক্ষার সনদ না আসায় মামলার ভবিষৎ নিয়ে জল্পনা কল্পনা চলছে। রহস্যজনক কারণে মিডিয়ার আঁড়ালে থাকায় স্পর্শকাতর ঘটনাটি ন্যায় বিচারের মুখ আদৌ দেখবে কি না, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পূবাইল ডিগ্রী কলেজে প্রথম বর্ষে ভর্তির পর রিকনফার্ম করার কথা বলে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়। গাজীপুর শহরের সরকারী মহিলা কলেজ সংলগ্ন কমার্স কোচিং সেন্টারের মালিক রাশেদুল ইসলাম জুয়েল ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ দুপুরে কলেজে যাওয়ার কথা বলে মেয়েটিকে কোচিং সেন্টারে আনে। অত:পর তাকে বেঁধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও করেন। এরপর মেয়েটি বাড়িতে গিয়ে পরিবারকে ঘটনা জানালে মেয়ের বাবা বাদী হয়ে গাজীপুর মেট্রো সদর থানায় এজাহার দেয়। ২৬ সেপ্টেম্বর মামলাটি রেকর্ড হয় (মামলা নং ৬৩) পুলিশ অভিযুক্ত রাশেদুল ইসলাম জুয়েলকে গ্রেফতার করে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক(এস আই) লুৎফর রহমান আজ বৃহসপতিবার দুপুর ২টা ১৯ মিনিটে ওসির ব্যবহৃত মোবাইলে কল দিলে ওসি এবং মামলার আইয়ো লুৎফর রহমানের সাথে কথা হলে তিনারা জানান, আসামী একদিনের রিমান্ডে ছিল। তবে জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত রাশেদুল ধর্ষণের কথা স্বীকার করেনি, তবে ছবি তুলে ডিলিট করে ফেলেছেন বলে জানান এসআই লুৎফর রহমান। একই সঙ্গে ভিকটিমের ডাক্তারী পরীক্ষার সনদ এখনো আসেনি বলো জানান এই তদন্ত কর্মকর্তা।

এদিকে স্পর্শকাতর ঘটনাটি মিডিয়ায় কেন ফলাও ভাবে আসল না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠে জনমনে। তবে গাজীপুর শহরে বসবাসরত ছাত্রলীগের সাবেক এক বড় নেতার বন্ধু পরিচয়ে আসামী জুয়েল বুক ফুলিয়ে চলাফেরা করতেন এবং রাশেদুলের বিরুদ্ধে আর এমন একাধিক ঘটনার কথা জানান সাধারণ মানুষ ।

সাধারণ মানুষের ধারণা, স্পর্শকাতর ঘটনার ৯ দিন পর মামলা ও ২৬ দিনেও ডাক্তারী পরীক্ষার সনদ না আসা ন্যায় বিচার প্রাপ্তীর বিষয়টি অনিশ্চয়তার ফেলে দেয়। একই সঙ্গে রিমান্ডে আসামীর নিকট থেকে কোন তথা না পাওয়া ও মিডিয়ার আঁড়ালে ঘটনার অবস্থান নানা ধরণের ঈঙ্গিত বহন করে।