প্রিন্ট এর তারিখঃ ফেব্রুয়ারী ২১, ২০২৬, ১২:৫৭ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ নভেম্বর ২৯, ২০২৫, ৩:০৬ পি.এম
রাষ্ট্র সংস্কার কি সরকারের কাছে শুধুই ফাঁকা বুলি, প্রশ্ন টিআইবির

- দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর চূড়ান্ত অনুমোদন থেকে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সুপারিশ বাদ দেয়ায় গভীর হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি প্রশ্ন তুলেছে, সরকারের কাছে রাষ্ট্র সংস্কার কি সত্যিই কোনো অর্থ বহন করে, নাকি কেবল ফাঁকা বুলি।
-
- শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবি এই প্রতিক্রিয়া জানায়।
- বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দুদকের সর্বোচ্চ প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে গঠিত ‘দুদক সংস্কার কমিশন’ এবং ‘বাছাই ও পর্যালোচনা কমিটি’ গঠনের সুপারিশ চূড়ান্ত অধ্যাদেশ থেকে বাদ পড়েছে। টিআইবির অভিযোগ, বাছাই ও পর্যালোচনা কমিটি বাতিলের মাধ্যমে সরকার দুদককে জবাবদিহির বাইরে রাখার এবং ক্ষমতাসীনদের সুরক্ষা ও প্রতিপক্ষকে হয়রানির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ রেখেছে।
- টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘রাষ্ট্র সংস্কারের দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারের জন্য এটি একটি স্ববিরোধী ও সংস্কারপরিপন্থি নজির।’
-
- তিনি আরও বলেন, নির্ভরযোগ্য সূত্র অনুযায়ী অন্তত সাতজন উপদেষ্টা এই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন, যদিও জুলাই সনদে স্বাক্ষরকারী সব রাজনৈতিক দল এতে একমত হয়েছিল।
- ড. ইফতেখারুজ্জামান প্রশ্ন তোলেন, ‘দুর্নীতির কার্যকর নিয়ন্ত্রণের উপায় বন্ধ করে রাখা কি রাষ্ট্র সংস্কার?’ টিআইবি মনে করছে, সুপারিশ বাদ দেওয়া সরকারের অভ্যন্তরে থাকা সংস্কারবিরোধী প্রভাবশালী মহলের ষড়যন্ত্রের অংশ, যা রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যকে জিম্মি করে রেখেছে।
- সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, অধ্যাদেশের খসড়া বিদ্যমান আইনের তুলনায় কিছুটা উন্নত হওয়ায় তারা সরকারকে সাধুবাদ জানিয়েছিল। তবে কৌশলগত সুপারিশ বাদ পড়ায় এটি এখন গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: ডঃ মুফতি বনি ইয়ামিন
অক্সফোর্ড সোলার টেকনোলজি গ্রুপ