আবুল হাশেম বাঘা (রাজশাহী) বিভাগীয় প্রতিনিধি:"মাস্ক পরার অভ্যাস করুন, করোনামুক্ত বাংলাদেশ গড়ুন’এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্রাণঘাতী মহামারী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সাবেক ছাত্রনেতা, ৩ নং পাকুড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সম্পাদক সামিউল আলম নয়ন সরকার এর পক্ষ থেকে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন দোকান পাটে, বিভিন্ন মোড়ে, সড়কে যানবাহনের যাত্রী, ভ্যান চালক, সাধারন পথচারী ও বিভিন্ন হাট বাজারে বিনামুল্যে মাক্স ও জনসচেতনা মুলক প্রচারনা করেছে সাবেক ছাত্রনেতা ফকরুল হাসান।
মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে সাবেক ছাত্রনেতা ও ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদ প্রার্থী ফকরুল হাসান এর নেতৃত্বে উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে, সড়কে মাস্ক বিহীন বিভিন্ন দোকানী, যানবাহনের যাত্রী, ভ্যান চালক, সাধারন পথচারী ও বিভিন্ন হাট বাজারে পথ চারীদের মাঝে মাস্ক বিতরন ও জন সচেতনতা মুলক প্রচারনা করা হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাজ্জাদ মাহমুদ সুইট সাংবাদিক ও যুবলীগ নেতা, রাকিব হাসান, সাদ্দাম হোসেন, ডলার আহমেদ,সুজন আহমেদ, সুইট ছাত্রলীগ নেতা,সান্টু আলী, হামিদুল, রাজ্জাক সহ সেলিম প্রমুখ।
সম্প্রতি সময়ে আবারও ছড়িয়ে পড়েছে বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস।তাই করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রকোপ মোকাবিলায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহরিয়ার আলম এমপি ভাইয়ের দিক নির্দেশনা মোতাবেক উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নে জনসচেতনতা মূলক প্রচার-প্রচারনা চালাচ্ছে সামিউল আলম নয়ন সরকার ।এসময় জনসাধারণের মাঝে বিনামুল্যে মাস্ক ও জনসচেতনতামূলক প্রচারনা করছি। জনস্বার্থে আমাদের এই প্রচারণামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান ৩নং পাকুড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদ প্রার্থী ফকরুল হাসান।
সাজ্জাদ মাহমুদ সুইট বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সারা দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সম্মুখ সারির যোদ্ধা হিসেবে শুরু থেকেই নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি। সামিউল আলম নয়ন সরকার এক জন মানবিক নেতা। তিনি সর্বদা সাধারণ ও অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন। সেই সাথে নেতা কর্মীদের সাধারণ মানুষের পাশে দাড়ানোর অনুপ্রেরণা যোগান।
সামিউল আলম নয়ন সরকার বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে নিরাপদ থাকতে সাবান পানি ব্যবহারের সুযোগ না থাকলে হাত ধোয়ার ক্ষেত্রে ভালো মানের স্যানিটাইজার ব্যবহার, হাত না ধুয়ে নাক, মুখ ও চোখ স্পর্শ না করা, খুব বেশি প্রয়োজন না হলে নাক, মুখ চোখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকা, হাঁচি বা কাশি দেয়ার সময় যিনি হাঁচি বা কাশি দিচ্ছেন তার থেকে কমপক্ষে তিন ফুট দূরে থাকা, নিজে হাঁচি বা কাশি দেয়ার সময় টিস্যু দিয়ে বা কনুই ভাঁজ করে নাক মুখ ঢাকা ব্যবহৃত টিস্ুটি তাৎক্ষণিক ঢাকনা যুক্ত ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া।স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা সহ প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাহিরে না থাকার আহব্বান জানান তিনি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: ডঃ মুফতি বনি ইয়ামিন
অক্সফোর্ড সোলার টেকনোলজি গ্রুপ