চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় তৌহিদুল ইসলাম নামে এক পল্লিচিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।শুক্রবার সকালে সেতুতে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত তৌহিদুল উপজেলার ডম্বরপুর গ্রামের মকবুল হোসেনের বড় ছেলে।
জানা গেছে, তৌহিদুল ইসলাম রাত করেই বাড়িতে যেতেন। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে গ্রামের একটি চায়ের দোকানে চা পানের পর চলে যান তিনি। তবে রাতে আর বাসায় ফেরেননি। সকালে ঘরে না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করেন। একপর্যায়ে ডম্বলপুর-মাধবপুর সড়কে সেতুতে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান এলাকাবাসী। কিছুটা দূরে মোটরসাইকেল, টুপি ও জুতা পড়ে থাকতে দেখা যায়।
কালিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বলেন, হঠাৎ খুব সকালে আমাদের গ্রামের এক ভাতিজা আমাকে মোবাইলে জানায় ব্রিজে ঝুল আছে তৌহিদুল মরদেহ। আমি এটা শুনে তাৎক্ষণিক পুলিশকে জানাই। আমরা তো তৌহিদুলকে ভালো ছেলে হিসেবেই জানি। এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন হোক।
আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) একরামুল হোসাইন বলেন, সেতুতে ঝুলন্ত অবস্থায় পল্লিচিকিৎসকের মরদেহ পাওয়া গেছে। সেতুর কিছুটা দূরেই তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও টুপি-জুতা পড়ে আছে। সেখানে ধস্তাধস্তির চিহ্ন আছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন
সম্পাদক ও প্রকাশক: ডঃ মুফতি বনি ইয়ামিন
অক্সফোর্ড সোলার টেকনোলজি গ্রুপ