বৈধ ইজারাদারের পক্ষের আইনজীবী সামস তানিন মুক্তি জানান, রেলের সম্পত্তি লিজ নিয়ে তা বিক্রি করার বিধান নেই। যারা উচ্ছেদ হচ্ছেন তারা জায়গা ভাড়া চুক্তিতে নিয়ে ব্যবসা করলেও দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া দেন না। আবার দখলও ছাড়েন না। এই অবস্থায় রেল কর্তৃপক্ষ বিধি অনুযায়ী এ উচ্ছেদ করে জায়গা খালি করছে।
উচ্ছেদ অভিযানে ঐ এলাকার ১০টি আধাপাকা দোকান গুড়িয়ে দেওয়া হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুজ্জামান জানান, রেলওয়ের এ জায়গা আব্দুল হামিদের নামে বরাদ্দকৃত। আব্দুল হামিদ সাবলেট হিসেবে ভাড়া দিয়েছেন। আব্দুল হামিদ দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে নিয়মিত রেলওয়েতে ভাড়া দিয়ে আসছে। কিন্তু আব্দুল হামিদ বাংলাদেশ রেলওয়ের কাছে অভিযোগ করে জানান যে- তার বরাদ্দকৃত জায়গায় দীর্ঘ সময় ধরে জোর দখল করে রেখেছেন বিভিন্ন ব্যবসায়ী। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার এই অবৈধ স্থাপনা মুক্ত করতে অভিযান পরিচালনা করা হয়
সম্পাদক ও প্রকাশক: ডঃ মুফতি বনি ইয়ামিন
অক্সফোর্ড সোলার টেকনোলজি গ্রুপ