নিজস্ব প্রতিবেদক :
আলমডাঙ্গা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশের বিরুদ্ধে একটি মহল মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে এমন অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন ধরে একটি কুচক্রি মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ধরছে। তবে এসব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন উপজেলার প্রান্তিক কৃষক ও সাধারণ মানুষ।
কৃষকদের ভাষ্য, মাসুদ হোসেন পলাশ আলমডাঙ্গায় যোগদানের পর থেকে দীর্ঘদিনের সার সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখেন। তিনি সার সিন্ডিকেট ভেঙে কৃষকদের কাছে ন্যায্যমূল্যে সার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। পাশাপাশি কৃষি খাতে আধুনিক প্রযুক্তি ও পরামর্শ সেবা নিশ্চিত করতে নিয়মিত মাঠপর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
উপজেলার একাধিক কৃষক জানান, “তিনি সবসময় আমাদের পাশে থেকেছেন। যে ধরনের অপপ্রচার চলছে, আমরা তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
কৃষক প্রতিনিধিদের দাবি, একজন সৎ ও নির্ভীক কর্মকর্তা হিসেবে মাসুদ হোসেন পলাশ তার কর্মজীবনে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অতীতেও তিনি নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছেন এবং দীর্ঘদিন পদোন্নতি বঞ্চিত ছিলেন বলেও জানা যায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশ বলেন, আমি আমার ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কৃষি সেবা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও কৃষকদের পাশে থেকে কাজ করে যাব।
এদিকে স্থানীয় কৃষক সমাজ আশা প্রকাশ করেছেন, চলমান অপপ্রচার বন্ধ হবে এবং কৃষি উন্নয়নে তার ধারাবাহিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: ডঃ মুফতি বনি ইয়ামিন
অক্সফোর্ড সোলার টেকনোলজি গ্রুপ